নদিয়া: রাস্তা দিয়ে পথ চলতি মানুষ দেখলেই ছুটে গিয়ে কামড়ে দিচ্ছে, কাওকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিচ্ছে। গত দু দিন ধরে এই পাগলা ঘোড়ার তান্ডবের সাক্ষী ফুলিয়া। পাগলা ঘোড়ার তান্ডবে এখনও পর্যন্ত ১৫ জন জখম হয়েছেন।তার মধ্যে কয়েকজন স্কুলপড়ুয়াও রয়েছে৷ বুধবার সকালেই ষষ্ঠ শ্রেনীর এক ছাত্রীর পিঠে কামর বসিয়েছে ঘোড়াটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুলিয়া রঙ্গমঞ্চ এলাকায় মাঠের পাশে প্রায় ১০ দিন ধরে একটি পাগল ঘোড়া রেখে চলে যায় এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। প্রথম কদিন কাওকে কিছু না বললেও মঙ্গলবার থেকে সে পথ চলতি মানুষের দিকে তেড়ে আসতে থাকে। স্থানীয় কয়েকজনকে কামড়ে দিয়েছে। দুজন শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীদের কামর দেওয়ার পর আজ এলাকার মানুষ ব্লক অফিসে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। বুধবার স্কুলে যাওয়ার সময় ঘোড়ার কামড় খায় ফুলিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী কোয়েল খাতুন।

আতঙ্কিত এলাকাবাসী শান্তিপুর বিডিওর কাছে অভিযোগ জানানোর পর ব্লক প্রাণী সম্পদ দফতরের পক্ষ থেকে ঘোড়াটিকে ধরা হয়েছে। সেইসঙ্গে ঘোড়াটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

শান্তিপুর ব্লক মেডিকেল অফিসার অমিয় দাস জানান,তাদের কাছে ১২ জন জখম এসেছে এবং তাদের প্রত্যেককে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন দফতরের হাতে ঘোড়াটি তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।