স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: এক গৃহ বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানা এলাকার পাটপুর গ্রামে। আগুনে পুড়িয়ে ওই গৃহবধূকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে মৃতার শ্বশুরবাড়ির লোকের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে মৃত গৃহবধূর নাম পরমা আশ। শুক্রবার অগ্নিদ্বগ্ধ অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি করেন। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাঁকে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

সূত্রের খবর, আড়াই বছর আগে ওন্দার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা পরমা দের সঙ্গে কোতুলপুরের পাটপুরের বাসিন্দা বাবলু আশের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের দেড় বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার অগ্নিদ্বগ্ধ অবস্থায় ওই গৃহবধূকে স্থানীয়রা কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে এনে ভরতি করেন। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাঁকে বিষ্ণূপুর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি মেয়ের শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগের তির ছুঁড়েছেন মৃতার বাবা শ্রীকান্ত দে। তিনি শুক্রবার দাবি করে জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার মেয়ের উপর অত্যাচার চালাত। আরও জানা গিয়েছে, তিনি কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। শুক্রবার তাকে তাঁর জামাই বাবলু আশ ফোন করে জানায় মেয়ে বৈদ্যুতিক শক্ খেয়েছে। কিন্তু তিনি পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন কেরোসিন তেল ঢেলে তার মেয়েকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এই ঘটনায় সরাসরি জামাই বাবলু আশ ও তার মা যুক্ত বলে তিনি দাবী করেন।

এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মৃতার বাবা শ্রীকান্ত দে’র অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ