ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  করোনা প্রাণ কাড়লে প্রিয়জনের দেহ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পান না বাড়ির লোক। হাসপাতাল থেকেই পুরকর্মীরা দেহ নিয়ে চলে যান। এবার বদলাতে চলেছে সেই প্রোটোকল৷ করোনায় মৃত্যু হলে এবার শর্তসাপেক্ষে দেহ সৎকারের অনুমতি পরিবারকে দিল রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতিতে বাড়িতে কী কী রাখা প্রয়োজন, জানাচ্ছেন মাধুরী দীক্ষিত

স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরিবারের লোকেরা ‘মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবে না’। ‘সরাসরি হাসপাতাল থেকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া যাবে’। ‘মৃতদেহ সৎকারের বিষয়টি দেখভাল করবেন নোডাল অফিসার’। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের পর প্রশ্ন ওঠে যে, এতে সংক্রমণ ছড়ানোর কোনও সম্ভবনা আছে কিনা? এপ্রসঙ্গে ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাসের কথায়, “মৃত্যুর ৪-৬ ঘণ্টা পর ভাইরাস ছড়ানোর কোনও সম্ভবনা থাকে না৷ ফলে ভয়ের কিছু নেই৷”

আরও পড়ুন: ‘করোনা মোকাবিলায় রাজ্যকে সব রকমের সাহায্য করুন’, মোদীকে চিঠি অধীরের

এর আগে স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছিল, শুধুমাত্র মৃত ব্যক্তির প্রতি শেষশ্রদ্ধা জানাতে পারবেন পরিবারের সদস্যরা। নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, এক, কোনও করোনা রোগীর মৃত্যু হলে ১ ঘণ্টার মধ্যে সে খবর তাঁর পরিবারকে জানাতে হবে। দুই, মুখ দেখা যাবে এমন বডি কভারে দেহ মোড়া থাকতে হবে। আগে যে সমস্ত বডি কভার হাসপাতালগুলিতে পাঠানো হয়েছিল তা ব্যবহার করা যাবে না। তিন, যে হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু হবে তাদের দায়িত্ব হল মৃতের আত্মীয়দের ভালোভাবে স্যানেটাইজ করা গ্লাভস, মাস্ক ইতাদি দেওয়া। চার, পরিবারের সদস্যরা যাতে শেষশ্রদ্ধা জানাতে পারেন সে জন্য দেহ উপযুক্ত স্থানে ৩০ মিনিট শায়িত রাখতে হবে। কিন্তু এবার সরাসরি শর্তসাপেক্ষে দেহ সৎকারের অনুমতি পরিবারকে দিল রাজ্য সরকার।

কিন্তু পরে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি বি এন রাধাকৃষ্ণন ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল করোনায় মৃত ব্যাক্তির মৃতদেহ সৎকারের জন্য পরিবারের হতে তুলে আদালত বলেছিল, ‘করোনায় মৃত্যু হলেও মৃতদেহের উপর অধিকার পরিবারের রয়েছে এবং সৎকারের আগে পারলৌকিক ক্রিয়া করার স্বীকৃতি দিতে হবে’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.