Bangladesh

ঢাকা: ঈদে বাড়ি ফিরতেই হবে। এই মনোভাব নিয়ে থিকথিকে ভিড়ে করোনা সংক্রমণের প্রবল আশঙ্কা শিকেয় তুলে ঘর মুখো বাংলাদেশবাসী।

কর্মস্থল থেকে ভিটে মাটির টানে ছুটছে বাংলাদেশ। সেই গতি রোধ করছে যানজট ও নৌকায় ভিড়। সেই চেনা ছবি। অথচ করোনার তীব্র সংক্রমণ আশঙ্কা থাকায় সরকার সব ধরণের জমায়েত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

করোনা সংক্রমণের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রক। সর্বোচ্চ ২০ জন নিয়ে নামাজ আদায় করা যাবে এমনই নির্দেশ রয়েছে। অভিযোগ কোনও কোনও মসজিদে ২০০ থেকে ৫০০ জনের জমায়েত হয়েছে।

আর ঘরে ফেরার ভিড় শুধু সড়ক পথ নয়, জলপথে ঘর যাত্রার ভিড় প্রবল। বহন ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঢাকা , বরিশাল, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেটি ও নৌ চলাচল ঘাটে যাত্রীদের মারাত্মক ভিড়। দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মাঝে মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে ফেরি থেকে নামতে গিয়ে হুড়োহুড়িতে চার জনের মৃত্যু হলো। জখম কয়েকজন।

করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধিনিষেধে বন্ধ দূরপাল্লার বাস। হেঁটেই বাড়ি ফিরছেন বহু মানুষ। ঢাকা ছেড়েছেন কয়েক লক্ষ। ফাঁকা হতে শুরু করেছে যানজটের শহর ঢাকা। বিভিন্ন পরিবহণ সংস্থা জানিয়েছে, দূরপাল্লার কোনও বাস ছাড়ছে না। কিন্তু অনেকে মাইলের পর মাইল হেঁটে ঢাকা ছাড়ছেন। স্বজনের সঙ্গে ঈদ করার খুশিতে পথের কষ্ট ভুলে যাচ্ছেন সবাই।

তবে ঈদের আনন্দে গতবারের মতো কামড় বসিয়েছে করোনাভাইরাস। মারাত্মক সংক্রামক ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে প্রবেশ করায় উদ্বেগে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের আশঙ্কা যেভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় বাড়ি মুখো আবার ফিরতি ভিড় হবে ঢাকা সহ বিভিন্ন শহরমুখী তাতে সংক্রমণ বড়সড় আকার নেবেই।

ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ইতিমধ্যেই ৩০ কিলোমিটার যানজট। গরমে, করোনা আতঙ্কে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেলে চলাচল করা ঘরমুখো সবাই। বাংলাদেশে ঈদ উপলক্ষে এই ঘরে ফেরার ভিড় বরাবরই শিরোনামে থাকে। পরিবহণ পরিকাঠামো এখনও দূর্বল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.