নয়াদিল্লি : ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দ্যেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন তাঁর ভাষণে উঠে আসে ৫ই অগাষ্টের রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর উল্লেখ। নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন রাম মন্দিরের ভূমি পুজো গোটা দেশকে গর্বিত করেছে। দেশের প্রতিটি মানুষ এই ভূমি পুজোর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেছেন। রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর জন্য প্রত্যেক ভারতীয় গর্ব বোধ করেন।

এদিন চলতি বছরে দেশের ঘটে যাওয়া একের পর এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও অতিমারী করোনা ভাইরাস নিয়ে কথা বললেন তিনি। এদিন তিনি বলেন রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের কথা। তিনি বলেন ১০ দিন আগেই রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। দেশের মানুষ শীর্ষ আদালতের বিচার সম্মানের সঙ্গে মেনে নিয়েছে। এতদিন ধরে ধৈর্য্য ধরেছিল দেশের মানুষ। সেই প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে।

উল্লেখ্য ৫ই অগাষ্ট রাম মন্দিরের ভুমিপুজো হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীর হাত ধরেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয় রামমন্দিরের। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের অবসান হয়ে তৈরি হয় নয়া এক যুগ।

গোটা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসাবে ভূমিপুজো করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পুজোয় উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ছিলেন মোহন ভগবত। এছাড়াও ছিলেন সাধু-সন্তরা। গনেশ পুজো দিয়ে শুরু হয় ভূমিপুজো। ইতিহাস বলছে ১৯৮৪-তে রাম মন্দির গড়ার দাবি নিয়ে হিন্দুদের একটি কমিটি তৈরি হয়।

তিন বছর বাদে একটি জেলা আদালত নির্দেশ দেয়, যাতে ওই বিতর্কিত এলাকা হিন্দুদের প্রার্থনার জন্য খুলে দেওয়া হয়। মুসলিমরা তৈরি করে বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি। এরপর ১৯৮৯ তে মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ওই স্থানে। ১৯৯০ তে রাম মন্দির তৈরির সমর্থনে রথযাত্রা করেন এল কে আদবানী।

১৯৯২ -তে বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে দেয় কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। দেশ জুড়ে দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ১০ দিন বাদে তৈরি হয় তদন্ত কমিটি। ১৭ বছর বাদে ২০০৯ সালে সেই কমিটি রিপোর্ট জমা দেয়।

সেই রিপোর্টে আদবানী, বাজপেয়ী সহ ১৭ জনের নাম ছিল। সেই ঐতিহাসিক রামমন্দিরের বক্তব্যই এদিন উঠে আসে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বক্তব্যে। তিনি রাম মন্দিরকে দেশবাসীর গর্বের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। গোটা দেশের স্বপ্ন পূরন হয়েছে রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের মাধ্যমে বলে এদিন জানান কোবিন্দ।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা