তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: দরিদ্রতা হার মানাতে পারেনি বাঁকুড়া শহরের পাটপুরের মেধাবী ছাত্রী সুপর্ণা কুম্ভকারকে। কালীতলা গার্লস হাই স্কুল থেকে এবছর সুপর্ণা মাধ্যমিক দিয়েছিল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৬২। শতাংশের হিসেবে ৯৪.৫। সুপর্ণার বাবা মুনমুন কুম্ভকার সামান্য ইলেকট্রিক মিস্ত্রী। মাসিক আয় চার হাজারেরও কম। সেই সামান্য আয়ে সুপর্ণার পড়াশুনা, অসুস্থ দিদির চিকিৎসা ও পড়াশুনা আর বাড়িতে থাকা মা, বাবা, ঠাকুমা নিয়ে কোন রকমে সংসার চলে। অর্থের অভাবে কোন টিউশন ছিলনা সুপর্ণার। সুপর্ণা স্বপ্ন ভবিষ্যতে ডাক্তার হবে। কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তিই হওয়াটাই যেখানে অনিশ্চিত সেখানে ‘ডাক্তার’ হওয়ার স্বপ্নটা বিলাসিতা ছাড়া আর কি হতে পারে!

সুপর্ণার বাবা মুনমুন বাবু বলেন, ”মেয়েকে অর্থাভাবে হয়তো আর পড়াতে পারবো না। বড় মেয়ে সুভদ্রা অসুস্থতার মধ্য দিয়ে পড়াশুনা করে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে ৮০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে। ওর ইচ্ছা ইংরেজি অনার্স নিয়ে পড়ার। কি করে এতো খরচ সামলাবো। ভেবে পাচ্ছি না।”

কোন সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুপর্ণাদের পাশে না দাঁড়ালে হয়তো চিরতরে নষ্ট হয়ে যাবে এই দুই সম্ভাবনার। বলছিলেন ভক্তাবাঁধ জুনিয়র হাই স্কুলের শিক্ষক সঞ্জীব বটব্যাল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ