নয়াদিল্লি: “নেট দুনিয়ার স্বাধীনতাকে আমি সম্মান করি, ভারতে সোশ্যাল মিডিয়াগুলি প্রচার পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমলেই। আমি তার জন্য গর্বিত।” মঙ্গলবার শাস্ত্রী ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে বসে এ কথা বললেন টেলিকমমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

ভারতে যেভাবে ইন্টারনেটের প্রসার ঘটেছে, তার জন্য দেশজুড়ে একটি জাতীয় এনক্রিপশন পলিসির প্রয়োজনীয়তা পড়েছে বলে আজ মতপ্রকাশ করেন টেলিকমমন্ত্রী। বিস্তারিত আলোচনার জন্য এ নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠন করা হয়। গতকাল, সেই কমিটি একটি এনক্রিপশন পলিসির খসড়া প্রকাশ করে। সেই খসড়ায় হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুকের উপর নজরদারির সুপারিশ করে বিশেষজ্ঞ কমিটি। যা প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে প্রবল সমালোচনা শুরু হয়। কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি নয়া এনক্রিপশন পলিসির তীব্র প্রতিবাদ করে মোদী সরকারকে ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে বলেন, “মাংস নিষিদ্ধ করে উন্মাদ বিজেপি সরকার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে ঢুকেছে, এবার কী শোয়ার ঘরেও ঢুকতে চায়?”

দেশজোড়া চাপের মুখে উঠে গেল নেট নজরদারি

দেশজোড়া বিতর্কের মুখে চাপে পড়ে আজ সাংবাদিক বৈঠক করতে হয় টেলিকমমন্ত্রীকে। প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন, তিনি নিজে এই ড্রাফ্ট প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, নয়া এনক্রিশপন নীতি শুধু তাদের উপরেই প্রযোজ্য হত যারা বার্তা এনক্রিপ্ট করে। ইন্টারনেটের দুর্ব্যবহার রুখতেই নিয়মটি চালু করার কথা ভাবছিল সরকার। সাধারণ গ্রাহকদের উপর পলিসি প্রযোজ্য হবে না বলে আজ স্পষ্ট করে দেন মন্ত্রী।

ডিলিট করতে পারবেন না হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট!