তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: করোনা আতঙ্কে সারাদেশ। সংক্রমণের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই অবস্থায় ‘গ্রীণ জোনে’ থাকা বাঁকুড়াকে নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় স্বাস্থ্য দফতর। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সেকারণেই বেশী বেশী মানুষের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করে তা কোভিড পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা জুড়ে ‘কমিউনিটি স্যাম্পেল কালেকশান কিয়স্ক’ তৈরি করে এই কাজ চলবে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞে ইএনটি চিকিৎসক, ল্যাব ট্যাকনিশিয়ান, ও স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি আশা কর্মীরাও যুক্ত থাকবেন।

প্রসঙ্গত, এতদিন জেলায় পরিযায়ী শ্রমিক বা ‘রেডজোন’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকা থেকে কেউ এলে তাদেরই কোভিড টেস্ট হচ্ছিল। এই সব ধরে এখনো পর্যন্ত এই জেলায় দেড় হাজারের কিছু বেশী মানুষের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। আশার কথা, সব ক্ষেত্রেই ফলাফল ‘নেগেটিভ’ আসায় ‘গ্রীণ জোনে’র তকমা অক্ষুন্ন রাখতে পেরেছে দক্ষিণের এই জেলা।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন ধরণের ঝুঁকি না নিয়ে গণহারে এই কোভিড টেস্ট করতে চাইছে জেলা স্বাস্থ্য দফতটর। ইতিমধ্যে বাঁকুড়া জেলায় বড়জোড়্মা, ছাতনা, ওন্দা ও খাতড়ায় ‘কোভিড স্যাম্পেল কালেকশান কিয়স্ক’ চালু হয়েছে। খুব শীঘ্রই জেলার ‘জঙ্গলমহল’ হিসেবে পরিচিত সিমলাপালেও এই ধরণের একটি ‘কিয়স্ক’ চালু হবে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সরেন সাংবাদিকদের এবিষয়ে বলেন, এতদিন মেডিক্যাল কলেজের মাধ্যমেই নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছিল। জেলায় অনেকখানি পরিকাঠামো তৈরি করা গেছে।

এই নমুনা সংগ্রহের কাজে টিম লিডার হিসেবে ইএনটি সার্জেনরা কাজ করবেন। তাদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গেছে। এখন ওন্দা, ছাতনা, বড়জোড়া ও খাতড়ায় ‘কোভিড স্যাম্পেল কালেকশান কিয়স্ক’ সেন্টার চালুর মুখে। একই সঙ্গে জেলার জঙ্গলমহল এলাকার জন্য সিমলাপালে এই ধরণের একটি কিয়স্ক তৈরীর চিন্তাভাবনা রয়েছে বলেও তিনি জানান

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।