স্টাফ রিপোর্টার, মহিষাদল: লকডাউনের কারনে বন্ধ স্কুল- কলেজের পঠনপাঠন। অনলাইনেই চলছে পঠনপাঠন। পড়াশোনা চালু রাখতে অ্যানড্রয়েড ফোন কেনার প্রবণতা বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।

করোনা জন্য স্কুল কলেজের তালা বন্ধ। শিক্ষাঙ্গনে দরজা বন্ধ থাকলেও পড়াশোনাতো আর বন্ধ রাখা যায় না। তাই আধুনিক ডিজিটাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে পড়াশোনা চালু রাখা হয়েছে।

বাংলার শিক্ষা পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনেই চলছে পঠনপাঠনের কাজ। মাধ্যমিক হোক কিংবা উচ্চমাধ্যমিক। পাশের হারের নিরিখে টানা কয়েক বছর ধরে প্রথম স্থান দখল করে রেখেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা । সেইসঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় স্থানও জেলার ছাত্রছাত্রীদের দখলে।

ফলে জেলায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পঠনপাঠনের আগ্রহ রয়েছে। করোনা ভাইরাসের থাবা বিশ্বব্যাপী মহামারির আকার ধারন করায় সরকারের পক্ষ থেকে লকডাউন ঘোষনা করা হয়।

লকডাউনের সংখ্যা পঞ্চাশ দিন অতিক্রম করতে চলেছে। ফলে স্কুল- কলেজ বন্ধ থাকায় পঠনপাঠন নিয়ে চিন্তায় পড়ে স্কুল- কলেজের শিক্ষক- শিক্ষিকা থেকে শিক্ষাদফতর।

শিক্ষাদফতর থেকে আগামী ১০ জুন পর্যন্ত স্কুল – কলেজ বন্ধ রাখার ঘোষনা করেছে। দীর্ঘ ছুটির মাঝে পড়াশোনা চালু রাখতে অনলাইনে শুরু করা হয়েছে পঠনপাঠনের কাজ। আর সেই কারনে বাজারে অ্যান্ড্রোয়েড ফোন কেনার আগ্রহ বেড়েছে।

সায়ন মাভৈ নামে এক ছাত্র জানান, বাড়িতে আমি এবং আমার দিদি রয়েছি। পড়াশোনার জন্য এন্ড্রোয়েড ফোনের প্রয়োজন। কিন্তু বাড়িতে এন্ড্রোয়েড ফোন না থাকায় বাড়ির লোকদের জানাই। বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভেবে বাড়ির লোক একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছে। যা আমাদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে ভীষণ সাহায্য করবে।

মহিষাদলের গোপালপুর হাই স্কুলের শিক্ষক- ভবেশ কুমার দে জানান, সরকারের পক্ষ থেকে টানা ছুটি ঘোষনা করা হয়েছে। আগামীদিনে ছুটির সংখ্যা বাড়তে পারে। ফলে ছাত্রছাত্রীরা যাতে পড়াশোনা থেকে নিজেদের সরিয়ে না ফেলে, তার জন্য অনলাইনে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনলাইনে পড়াশোনা করার জন্য প্রয়োজন এন্ড্রোয়েড মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার। অধিংকাশ ছাত্রছাত্রীদের কাছে সেই পরিষেবা নেই। গুটি কয়েক ছাত্রছাত্রীদের কাছে এই পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে। ফলে তারা অনলাইনের পঠনপাঠনের সুবিধে নিচ্ছে। যাতে বেশি সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অনলাইন পরিষেবার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে সেদিকে অভিভাবক ও সরকারের নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি।

মোবাইল বিক্রেতা ইন্দ্রদীপ ভৌমিক জানান, লকডাউনের কারনে জেলার প্রায় সমস্ত মোবাইল দোকান বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার করনে মোবাইল একেবারেই বিক্রি হচ্ছিল না। অনলাইনে ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠন শুরু হওয়ায় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের চাহিদা বেড়েছে। সরকারি নিয়ম মেনে ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। সেই সাথে যাদের বেশিদাম দিয়ে মোবাইল ফোন কেনার সামর্থ নেই তাদের জন্য সার্ভিস সেন্টারগুলিতে পড়ে থাকা ফোনগুলিকে সচল করে ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়ার চেস্টা করে চলেছি।।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।