ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাঙালি পর্যটকদের দেহ এল বাড়িতে৷ বুধবার সকালে কফিন বন্দি হয়ে দেহগুলো আসে হুগলির হরিপালের বাড়িতে৷ এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া৷

পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার সকালে হুগলির হরিপালের বাড়িতে কফিন বন্দি হয়ে আসে স্নেহাশিস বসু (৫৬)৷ তার স্ত্রী কাকলি বসু (৫০) ও ছেলে শুভজিৎ বসু (২৬)৷ রাজ্য সরকারের পর্যটন দফতরের উদ্যোগে পর্যটকদের দেহগুলো বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে৷ প্রসঙ্গত, হুগলি ও কলকাতা থেকে সিকিমে বেড়াতে গিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন বাঙালি পর্যটক৷ সিকিমের বাবামন্দির থেকে একটি গাড়িতে ফিরছিলেন ৮ জন পর্যটক৷ সেই সময় সাত মাইলের কাছে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে৷

সিকিম পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার বাবামন্দির থেকে একটি গাড়িতে ফিরছিলেন ৮ জন পর্যটক। তার মধ্যে ৭ জনই ছিলেন বাঙালি পর্যটক৷ সাত মাইলের কাছে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৪০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ৷ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় ৫ জনের মৃতদেহ৷ এরা হুগলির হরিপাল ও কলকাতার শ্যামবাজারের বাসিন্দা৷

গাড়ী দুর্ঘটনায় যে সব বাঙালি পর্যটকদের মৃত্যু হয়েছে তারা হলেন স্নেহাশিস বসু (৫৬), কাকলি বসু (৫০), শুভজিৎ বসু (২৬), সন্দীপ কর (৪৪) ও সোমা কর (৩২)। হাসপাতালে চিকিত্সা চলছে আহত আরও দু’জন পর্যটক মৌমা বসু ও ভুলু কর ৷ এছাড়া চিকিত্সা চলছে চালককেরও।