ফাইল ছবি

জয়পুর: ফের একবার নির্বাচনী মঞ্চ থেকে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ কংগ্রেসশাসিত রাজ্যে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনার সুর তাঁর গলায়৷

রাজস্থানের বিকানেরের কোলাআটে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখছিলেন রাজনাথ৷ সেখানে তিনি বলেন যেদিন ভারত থেকে কংগ্রেস নামের দলটার অস্তিত্ব থাকবে না, সেদিনই দেশ থেকে মুছে যাবে দারিদ্য৷

ফাইল ছবি

তাঁর দাবি কংগ্রেস নিজের আমলে ঢালাও প্রতিশ্রুতি দিলেও, কাজের কাজ কিছুই করেনি৷ সাধারণ মানুষের কথা ভাবে না কংগ্রেস৷ শুধু নিজেদের পকেট ভরতে ব্যস্ত৷ বিজেপিকে দেখে কংগ্রেসের শেখা উচিত৷ দেশের মানুষের দারিদ্র্য মোছাতে যদি কেউ সফল হয়ে থাকেন, তবে তিনি নরেন্দ্র মোদী৷

মোদী সরকারের সময়ে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷ সেই সব প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে মানুষ৷ তাই বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে মানুষের জন্যই কাজ করবে বলে আশ্বাস কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর৷

স্থানীয় বিজেপি প্রার্থী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের হয়ে প্রচারে যান রাজনাথ৷ সেখানেই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি৷ তিনি বলেন, ‘ভারত যেদিন কংগ্রেস মু্ক্ত হবে, সেদিনই ভারত গরিব মুক্ত হবে।’‌ ‘‌গরিবি হটাও’‌ নিয়ে কংগ্রেসের স্লোগানের বিরুদ্ধে তাঁর তোপ,‘‌গরীবদের হাতিয়ার করে কংগ্রেস রাজত্ব করে গিয়েছে এতদিন। ইন্দিরা গান্ধী থেকে রাজীব গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী আর এখন রাহুল গান্ধী গরিবি মুক্ত করার কথা বলে গেছে। গরিবি কিছুই সরে নি।

তাঁর বক্তব্যে এদিন উঠে আসে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কথাও৷ ২৭শে ফেব্রুয়ারি বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইক দেশকে গৌরবান্বিত করেছিল৷ পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিকেশ করেছে দেশের বায়ুসেনা আর তা সম্ভব হয়েছে মোদী সরকারের আমলেই, বলে মত রাজনাথের৷ ভারত যে চুপ করে বসে থাকার নয়, তা বুঝিয়ে দিয়ে মোদী সরকারের বিদেশনীতি বলে দাবি তাঁর৷

ফাইল ছবি

প্রচার মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, ‘‌ভারত এখন কমজোর আর নয়। কাশ্মীরের জঙ্গি হামলার ঘটনায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন। পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে আমাদের সেনারা জঙ্গিদের মেরে এসেছে। কতজনকে মেরেছে সেখানে দাঁড়িয়ে কী গোনা সম্ভব!‌ কিন্তু কংগ্রেস জানতে চাইছে মৃতের সংখ্যাটা কত। এক, দুই, তিনি, চার, না পাঁচ। ২-‌৪ জন হলে বলা যায়। আজব ব্যাপার সব। এটা কেমন চর্চা। তামাশা বানিয়ে ফেলেছে এরা।’ এমনই কটাক্ষ রাজনাথের৷