স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। মারণ এই ব্যাধির মোকাবিলায় দেশজুড়ে ‘লকডাউন’ চলছে। তবুও কোনও হেলদোল নেই একশ্রেণীর মানুষের মধ্যে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শুধুমাত্র হাতি দেখার তাগিদে, রাস্তায় নেমে পড়লেন অসংখ্য মানুষ। শনিবার এমনই অবাক কাণ্ডের সাক্ষী হয়ে রইল বাঁকুড়ার পাত্রসায়র এলাকা।

জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে ৩টি হাতির একটি দল সোনামুখী এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। একটি হাতিকে বনদফতরের পক্ষ থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলেও, দু’টি হাতি বর্ধমানের খণ্ডঘোষ এলাকায় চলে যায়।

শনিবার সোনামুখী ও পাত্রসায়র বনদফতরের কর্মীরা যৌথভাবে ওই হাতির দলটিকে সরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। এই খবর পেয়ে পাত্রসায়রের রসুলপুর, বেতুর, ঘোষপাড়া ফকিরডাঙ্গা, ইদিলচক, কাটোরা এলাকার প্রচুর মানুষ হাতি দেখতে রাস্তায় নেমে পড়েন। পুলিশের উপস্থিতিতেও অতিউৎসাহী জনতাকে আটকানো যায়নি।

পাত্রসায়রের বনাধিকারিক শিবপ্রসাদ সিনহা বলেন, হাতি দু’টিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। কিন্তু মানুষ যেভাবে হাতি দেখতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসছেন আটকানো যাচ্ছেনা। পুলিশ প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করলেও কাজ হয়নি বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.