কলকাতা- মঙ্গলবার ভোররাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল। মুম্বইয়ের হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। অভিনেতার মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জানা যাচ্ছে মুম্বই থেকে তাঁর দেহ নিয়ে আসছেন পরিজনেরা।

আজ, অর্থাৎমঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবে তাপস পালের দেহ। বুধবার সকাল ১১টা থেকে রবীন্দ্রসদনে শায়িত থাকবে প্রয়াত তারকার দেহ। সেখানেই চলচ্চিত্র জগতের বহু অভিনেতা শেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করবেন তাঁকে। এর পরে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে অভিনেতার দেহ নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সঙ্গে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে তাপস পালের।

আরও পড়ুনঃ ‘তাপসদা ভাল মানুষ, এ রকম পরিণতি কেন হবে’…আবেগতাড়িত দেব

তাপস পাল বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। ১ ফেব্রুয়ারি মেয়ের কাছে যাচ্ছিলেন তাপস পাল। তখনই বিমানবন্দরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এর পরেই সেখান থেকে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। টানা ২ সপ্তাহ হাসপাতালে ছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার ভোররাতে ফের কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

আরও পড়ুনঃসুখ স্বপ্নের ময়ূরপঙ্খী অধরা থাকল ‘চন্দননগরের মাল’ তাপস পালের

প্রসঙ্গত, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। অভিনিয়ের পাশাপাশি ২০০৯ সালের ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে টিকিট নিয়ে নির্বাচিত হয়ে কৃষ্ণনগর থেকে এমপি হন তিনি। তবে ২০১৬ সালের শেষের দিকে রোজ ভ্যালি নামে একটি চীট ফান্ডের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল তাঁর। ২২ বছর বয়সে মুক্তি পায় তাঁর প্রথম ছবি ‘দাদার কীর্তি’। ‘গুরুদক্ষিণা’ ছবির জন্য তাঁকে আজীবন মনে রাখবে বাংলার দর্শকমহল। ওই ছবিতে কালী বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর যুগল বন্দি রীতিমতো কাঁদিয়েছিল বাংলার দর্শককে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।