স্টাফ রিপোর্টার, আসানসোল: বিজেপির দুই সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ও সুরিন্দরজিৎ সিং আলুওয়ালিয়ার গায়ে ‘পরিযায়ী’ তকমা দিয়ে এবার শিল্পাঞ্চলে আন্দোলনে নামছে সিপিএম। আন্দোলনের লক্ষ্যে থাকবে বিএসএনএল, ফুড কর্পোরেশন, পোস্ট অফিস, জাতীয় সড়ক।

জানা গিয়েছে, আন্দোলন কর্মসূচিতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানারে দুই সাংসদের নামের আগে ‘পরিযায়ী’ কথাটি উল্লেখ করা হবে। দলীয় সূত্রে খবর, কবে কোন প্রতিষ্ঠানের সামনে কী ধরনের আন্দোলন হবে তা একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

পশ্চিম বর্ধমানে সিপিএম জেলা সম্পাদক গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘মহামারি-লকডাউন, এই সময়ই তো দুই সাংসদের নিজের কেন্দ্রে থাকা প্রয়োজন ছিল। সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন। মানুষ যখন বিপদে পড়েছে, তখন দুই সাংসদের এক জনকেও নিজের এলাকায় দেখা গেল না। এরা তো পরিযায়ী সাংসদে পরিণত হয়েছেন। আগামী দিনে বিজেপির বিরুদ্ধে যে কোনও আন্দোলন কর্মসূচিতে দুই সাংসদের নামের আগে আমরা পরিযায়ী শব্দটা ব্যবহার করব।’

এর আগে লকডাউনে এলাকায় স্থানীয় সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র অনুপস্থিতিকেও খোঁচা দিয়েছিলেন আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি।

টুইটারে মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি লিখেছিলেন , ”রোম যখন পুড়ছিল, সম্রাট নিরো তখন বেহালা বাজাচ্ছিল। সাংসদ তথা মন্ত্রীরও তাই অবস্থা হয়েছে। যখন সাধারণ মানুষের খাবার দরকার,তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় সাংসদ গান শোনাচ্ছেন। ভুয়ো পোস্ট করে ক্রমাগত কুৎসা করছেন রাজ্যের বিরুদ্ধে।” জবাবে বাবুল সুপ্রিয়র টিম টুইটারে জানিয়েছিল, সাংসদ তাঁর কাজ ঠিক করছেন।

নিজের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়ার বক্তব্য, ‘দিল্লিতে বসে থাকলেও এই রাজ্যের কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ, দুর্গাপুর থেকে ডায়মন্ডহারবারে ১০ হাজার শ্রমিককে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সিপিএম পরিবারের সদস্যদেরও বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। দিল্লিতে বসে থাকলেও আমি আমার কাজ করছি।’

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।