কলকাতা: আইএসসি-আইসিএসই পরীক্ষার দিনক্ষণ জানিয়ে দিল কাউন্সিল (CISCE)৷ আগামী ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে আইএসসি পরীক্ষা (ISC Exam)। ৫ মে থেকে শুরু হবে আইসিএসই পরীক্ষা (ICSE exam)।

দ্য কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশন (CISCE) জানিয়েছে,পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৫ মিনিট আগে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে নিজেদের জায়গায় বসতে হবে। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র কালো এবং নীল রঙের পেন ব্যবহার করা যাবে।

আইসিএসই তথা দশম শ্রেণির পরীক্ষা শুরু হবে ৫ মে৷ আর শেষ হবে ৭ জুন৷ অন্যদিকে আইএসসি পরীক্ষা তথা দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা শুরু হবে ৮ এপ্রিল৷ আর শেষ হবে আগামী ১৬ জুন৷

নির্ঘণ্ট প্রকাশের পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পরীক্ষা নিয়ে একাধিক নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রত্য়েককে মানতে হবে সেই নির্দেশিকা।

১)সময়ের আগে সব পরীক্ষার্থীকে পৌঁছতে হবে পরীক্ষা কেন্দ্রে।
২) স্কুল ক্যাম্পাসে অন্তত ৬ ফুটের দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক পরীক্ষার্থীদের৷
৩)প্রত্যেককে পরতে হবে মাস্ক। সঙ্গে রাখতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার৷
৪) নিজের জলের বোতল ব্যবহার করতে হবে। খাবার জিনিস বা জল অন্য কারও সঙ্গে ভাগ না করাই ভালো৷
৮) শৌচালয়, ল্যাবরেটরি, ক্লাস, বারান্দা, লাইব্রেরিতে কোনওরকম জমায়েত করা যাবে না৷
৭)কেউ অসুস্থ বোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে৷
৮) ইত্যাদি৷

আগেই কাউন্সিল ফর দ্যা ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট একজামিনেশন (Council for the Indian School Certificate Examinations) জানিয়ে দিয়েছিল ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে নির্ধারিত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছিল আইসিএসসি ও আইএসসির পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের নির্ধারিত সূচীতে হবে না।

কাউন্সিল ফর দ্যা ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট একজামিনেশন জানিয়েছিল করোনা পরিস্থিতি এখনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ন্ত্রণে নেই। এই অবস্থায় পরীক্ষা নিলে ছাত্র ছাত্রীদের আতংকের মধ্যে পরীক্ষা দিতে হবে, ঝুঁকিও থাকবে। সব মিলিয়ে এখন পরীক্ষা প্রক্রিয়া আয়োজন করার মতো পরিস্থিতি নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।