শংকর দাস, বালুরঘাট: বালুরঘাট-তুরা বাংলাদেশ করিডর বাস্তবায়নে লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করলেন করিডর কমিটির প্রতিনিধিরা। মঙ্গলবার নয়া দিল্লির হুমায়ুন রোডে অবস্থিত বাংলোতে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করলেন করিডর কমিটির আহ্বায়ক নবকুমার দাস ও প্রাক্তন সাংসদ রণেন বর্মন। এদিন রাত্রি আটটার সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করে করিডর সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র বিরোধী দলনেতার হাতে তুলে দিয়েছেন কমিটির দুই প্রতিনিধি।

শুধু করিডরের বিষয়েই নয়। বালুরঘাট হাওড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি দৈনিক করার ব্যাপারে তিনি যেন রেলমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেন। সেই জন্য অনুরোধও তাঁরা বিরোধী দল নেতার কাছে রেখেছেন। প্রসঙ্গত, বর্তমানে সড়ক পথে মেঘালয় পৌছাতে সময় লাগে দুইদিন। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডরটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি থেকে মেঘালয়ের তুরার দূরত্ব কমে হবে মাত্র ৮৭ কিমি। যার ফলে শুধু বালুরঘাট তথা এপার বাংলারই নয়। বাংলাদেশ সহ গোটা উত্তরপূর্ব ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটে যাবে।

জয়েন্ট মুভমেন্ট অফ হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোর কমিটির আহবায়ক নবকুমার দাস এদিন জানিয়েছেন, অধীর রঞ্জন চৌধুরী নিজেও চান দ্রুত এই করিডর বাস্তবায়ন হোক। অধীরবাবু নিজেও এ বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। সেই সঙ্গে তিনি একথাও দিয়েছেন যে বুধ অথবা বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ভারতের দায়িত্বে থাকা সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গডকরির সঙ্গে হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডরের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন। শুধু করিডর নয়, পাশাপাশি বালুরঘাট হাওড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি যদি সপ্তাহে দুইদিনের পরিবর্তে দৈনিক করা যায়, সেই ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিরোধী দলনেতার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে নবকুমার দাস জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন – নতুন বছরের শুরুতেই ব্রিগেডে জনসভা করতে চায় ওয়েইসি

এদিন টেলিফোনে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, শুধু দক্ষিণ দিনাজপুর নয় উত্তরবঙ্গ তথা উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নে এই করিডর খুবই কার্যকরী হবে। হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডর বাস্তবায়নের জন্য যতদূর সম্ভব তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। শুধু নীতিন গডকরিই নয় এই বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও তিনি কথা বলবেন।