স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অবশেষে জোটের জট কাটার সম্ভবনা উজ্বল হল। বামেদের মধ্যস্থতায় আব্বাস সিদ্দিকির  ISF-কে আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে কংগ্রেস। তারপরই জোটের রফা চূড়ান্ত বলে দাবি করেছে বাম-কংগ্রেস দুই পক্ষই। জানা গিয়েছে, আব্বাসের দলকে সাত-আট আসন ছাড়তে চলেছে কংগ্রেস। এআইসিসি-র বার্তা নিয়েই ত্রিপাক্ষিক জোটের প্রক্রিয়ায় এ দিন এগিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস।

জোটের জট কাটাতে মঙ্গলবার সকালে আলিমুদ্দিনে শুরু হয় ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অনুপস্থিত থাকলেও কংগ্রেসের তরফে ছিলেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান এবং প্রদীপ ভট্টাচার্য। বামেদের পক্ষে ছিলেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং সিপিএমের-এর পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। সূত্রের খবর, নওসাদ সিদ্দিকির উপস্থিতিতেই সাত থেকে আটটি আসন নিয়ে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। উল্লেখ্য, সোমবার আরও এক দফা বৈঠকে বসেছিলেন বাম কংগ্রেস শীর্ষ নেতারা৷ বৈঠকের শেষে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী দাবি করেন, রাজ্যে ৯২টি আসনে লড়াই করবে কংগ্রেস৷ দু’ তিন দিনের মধ্যে এই আসনগুলির জন্য কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকাও ঘোষণা হয়ে যাবে৷ এরপর বামেদের মধ্যস্থতাতেই মঙ্গলবার ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়৷

জোটে মূল সমস্যা হচ্ছিল ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ এবং কংগ্রেসের মধ্যে। আব্বাস মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে লড়তে চাইলে তাতে আপত্তি জানায় কংগ্রেস। কংগ্রেসের ঘোষিত অবস্থান, ওই দুই জেলা থেকে কোনও ভাবেই আইএসএফ-কে একটিও আসন ছাড়া হবে না। কারণ ওই দুই জেলায় কংগ্রেস সব থেকে বেশি শক্তিশালী। অন্য দিকে, নিজেদের সংগঠন ও সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখে আব্বাসও নিজের অবস্থানে অনড়। ফলে দু’দলের অনড় মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটে রবিবার ব্রিগেডের মঞ্চে।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী  বৈঠকের আগেও দাবি করেছিলেন, নিজেদের শক্ত ঘাঁটি মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে তাঁরা আইএসএফ-কে কোনও আসনই ছাড়তে পারবেন না৷ সোমবার বাম নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অধীর ইঙ্গিত করেছিলেন, এনসিপি, আরজেডি-র জন্য যে সমস্ত আসন রাখা হয়েছিল, তার থেকেই আইএসএফ-কে আসন ছাড়া হতে পারে৷ যদিও সেই আসন থেকেই আব্বাস সিদ্দিকিকে দেওয়া হয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ এদিকে, সূত্রের খবর, বাম শরিকদের মধ্যে আব্বাসকে নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.