স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে পাকিস্তান আটক করে৷ তারপর থেকে সারা দেশ অভিনন্দনের জন্য প্রার্থনা করছিল৷ অভিনন্দন ফিরে আসার খবরে এবার দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে উৎসব৷ বাদ যায়নি বাংলাও৷

শুক্রবার বিকালে সল্টলেকের জি ডি আইল্যান্ডে শুরু হয়েছে উৎসব৷ স্থানীয় বিজেপি নেতা ও কর্মীরা এদিন আবির খেলায় মেতে উঠেন৷ পথ চলতি সাধারন মানুষদের মিষ্টিমুখ করান তারা অভিনন্দনের ফিরে আসার আনন্দে৷ উইং কম্যান্ডারের ছবি নিয়ে এলাকায় মিছিল করেন৷ অভিনন্দনের নামে দেওয়া হয় শ্লোগান৷ অন্যদিকে ওয়াঘা সীমান্তে অভিনন্দনকে বীরের মতো বরণ করে নিতে হাজির হয়েছেন লক্ষ লক্ষ সাধারন মানুষও৷ ভারতীয় জাতীয় পতাকা হাতে সকাল থেকেই তারা অপেক্ষা করছেন৷ কারও হাতে ফুল,কারও হাতে ফুলের মালা৷ কেউ কেউ হাজির হয়েছেল শঙ্খ নিয়ে৷

সূত্রের খবর,লাহোর থেকে ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত পর্যন্ত অভিনন্দকে আনা হবে সড়ক পথে। ওয়াঘা-আটারি বর্ডারে সেখানে বায়ুসেনার আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে অভিনন্দনকে। ইতিমধ্যে বর্ডারে পৌঁছে গিয়েছেন বায়ুসেনার আধিকারিকরা। এরপরেই সেখান থেকে তাঁকে সরাসরি নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লিতে। বায়ুসেনার আধিকারিকদের সঙ্গেই তিনি রাজধানীতে যাবেন। দিল্লির পালেমা এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর পর সেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.