শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ভার্চুয়াল কনফারেন্স করলেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন (Sudip Jain) । রাজ্যে ৬ হাজার ৪০০ বুথকে অতিস্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে কমিশনার-এর আশংকা। তাই এই বৈঠকে উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন জেলা প্রশাসনকে সতর্ক ভাবে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। কমিশন-এর ধারণা ভোট যত এগিয়ে আসবে ততই হিংসার ঘটনা বাড়বে। তাই জেলা প্রশাসনকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে রাজ্যে ভোটের মুখে কোন রাজনৈতিক পক্ষ থেকে জেলা শাসক (DM)ও পুলিশ সুপারদের (SP) ওপর কোনও রকম চাপ রয়েছে কিনা সেটা তিনি জানতে চান বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

সুদীপ জৈন বলেছেন, এই ধরণের কোনও চাপ তাদের ওপর থাকলে সেটা যেন নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) জানানো হয়।এরকম কোনও ঘটনা যদি কোথাও ঘটে সেটা তাঁকে জানালে তিনি উপযুক্ত ব্যবস্থার আশ্বাস জেলা প্রশাসনকে দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসনের যারা এই অভিযোগ কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাবেন তাঁদের নামও গোপন রাখা হবে। সুদীপ জৈন এটাও জেলা প্রশসানকে জানিয়েছেন, ভোট পরিচালনায় কোনও রকম কর্তব্যের গাফিলতির খবর পাওয়া গেলে তার ফলাফল ভুগতে হবে বলে জেলা প্রশাসনকে । সুদীপ জৈন পাশাপাশি এটাও জেলা প্রশাসনকে স্মরণ করিয়ে দেন, নির্ভয়ে কাজ করুন, কমিশন তাঁদের সঙ্গে আছে।

তামিলনাডু, কেরালা, অসম, পুদুচেরির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) সংবেদনশীল বুথের (Sensitive Booth) সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই পাঁচটি রাজ্যেই বিধানসভা ভোট (Assembly Election) । কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ব্যবহার করার নির্দেশ এই বৈঠোক থেকে দিয়েছেন সুদীপ জৈন।ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য সমস্ত সংবেদনশীল অঞ্চলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানোর কথাও তিনি বলেছেন । সংবেদনশীল বুথকে নিয়ন্ত্রণ করার একমাত্র উপায় হল কেন্দ্রীয় বাহিনীর যথাযথ ব্যবহার, এটাই উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন-এর বক্তব্য, তিনি সেটা জেলা প্রশাসনের কাছে জানিয়ে দিয়েছেন । সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের ভোট নিয়ে কমিশন চিন্তিত । মুর্শিদাবাদের রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীর ওপর বোমা হামলা, জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, প্রতিদিনই ঘটে চলা রাজনৈতিক সংঘর্ষ এই চিন্তার কারণ।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শুরুর আগে থেকেই হিংসার ঘটনা বাড়ছে। এই কথা বিবেচনা করে ৬ হাজার ৪০০ বুথকে প্রাথমিকভাবে অতিস্পর্শকাতর চিহ্নিত করা হয়েছে। উপনির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভোট যত এগিয়ে আসবে ততই হিংসা বাড়বে এবং অতিস্পর্শকাতর বুথের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। আগামী সপ্তাহে উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন রাজ্য সফরে আসতে পারেন বলে জানা গেছে । বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং অন্যান্য আধিকারিকরাও ছিলেন । উপ নির্বাচন কমিশনার বলেন, আইন লঙ্ঘনকারীদের শক্ত হাতে দমন করতে না পারলে সংবেদনশীল বুথের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। সেটা জেলা প্রশসনকে মমাথায় রেখে কাজ করতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.