দেগঙ্গা : ভোট পঞ্চমীতে দেগঙ্গার কুড়লগাছায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি। তবে বাহিনীর তরফে গুলি চালনার কথা স্বীকার করা হয়নি। নির্বাচন কমিশন পুরো ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছে। শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার জনের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এরই মধ্যে ওই ঘটনায় সুর চড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ক্ষমতায় আসা মাত্রই নিজে দায়িত্বে থেকে শীতলকুচির ঘটনার সিআইডি তদন্ত করাবেন। এমনকী সিআইএসএফ থেকে তিনি সেইসব নামও বের করে নিয়েছেন, যারা গুলি চালিয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই একটি অডিও ক্লিপ সামনে এনে মমতার বিরুদ্ধে ওই ঘটনায় মেরুকরণের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের পঞ্চম দফার ভোটেও গুলি চালাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে, তা কাউকে লক্ষ্য করে নয়,শূন্যেও নয়, মাটিতে। এমনটাই বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার ২১৫ নম্বর বুথের প্রায় ৩০০ মিটার দূরে একটি আমবাগানের মধ্যে এলাকারই কয়েকজন বসে গল্প করছিল। দুলপুর তোড়ে ছায়া থাকায় তারা সেখানে বসে ছিল। তাঁদের কোনও কথা না শুনেই আচমকাই সিআরপিএফ তাদের ধাওয়া করে। তারা ছুতে পালানোর সময় সেনা বাহিনী মাটিতে গুলি করে। সেখানে প্রায় চার-পাঁচ রাউন্ড শূন্য গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী পুলিশ গিয়ে তাঁদের মারধরও করেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাতে প্রায় সাতজন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে । ঘটনার পরপরই বুথের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। আইএসএফ-এর তরফেও ও একই অভিযোগ করা হয়েছে গুলি চালনার ঘটনা নিয়ে।

এদিনই দেগঙ্গায় ৮১ নম্বর বুথের সোহাইস্বেতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনাও রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে ।

তবে শীতলকুচির গুলিকাণ্ডের পর কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল, কোথাও কোনও সমস্যা হলে প্রথমেই গুলি চালানো যাবে না। জনতার ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে লাঠি চালাতে হবে। তারপর কাঁদানে গ্যাস। তাতেও কাজ না হলে শুন্যে গুলি চালাতে হবে। শেষ পর্যন্ত তাতেও কাজ না হলে হাঁটুর নিচে গুলি চালানো যেতে পারে। তাহলে দেগঙ্গায় কী কারণে গুলি চললো সেটা ক্ষতিয়ে দেখতেই কমিশন ররিপোর্ট চেয়েছে। যদিও সিআরপিএফ গুলি চালানো হয়নি বলেই জানিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.