অশোকনগর, উত্তর ২৪ পরগনা : উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে সিআরপিএফ বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ। অভিযোগ করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে দুই তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। এর গুলি চালানোর কথা একইভাবে অস্বীকার করেছেন অশোকনগরের বিজেপি প্রার্থী তনুজা চক্রবর্তী। তিনি ঘটনাস্থলে আসার পরই ওই এলাকায় বোমা পরে ও গুলি চলে বলে স্থানীয় মানুষ ও তৃণমূল অভিযোগ করেচরে।

এর আগেও পঞ্চম দফায় দেগঙ্গায় স্থানীয় মানুষ ও তৃণমূলের তরফে জওয়ানদের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ করলে কমিশন জানিয়ে দেয় কোনও গুলি চলেনি। একই ভাবে ষষ্ঠ দফার নির্বাচনের দিনও নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয় অশোকনগর কোনও গুলি চলেনি । অথচ ঘটনার পর গুলির খোল পাওয়া গেছে ওই এলাকায়। দেখা যাচ্ছে দুটি ক্ষেত্রেই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চলা নিয়ে কমিশনের ধন্দ রয়েই গেল। আর গুলি চালানো নিয়ে কমিশন ও বিজেপি-র মুখে একই বক্তব্য শোনা গেল।

বৃহস্পতিবার অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তনুজা চক্রবর্তী গাড়ি নিয়ে বুথ পরিদর্শনে আসেন। সেই সময় বোমা পড়েছে বলে তনুজা চক্রবর্তী অভিযোগ করেন। তিনি তার পর গাড়ি না থামিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। এদিকে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করে বলা হয়েছে তনুজা চক্রবর্তী গাড়ি নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে মুহুর্মুহু বোমা পড়তে শুরু করে। তার গাড়ি থেকেই বোমা চোরা হয়। এর ফলে তৃণমূলের বুথ অফিস ভেঙে যায়। তার পরই তনুজা তনুজা চক্রবর্তী গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলেই সিআরপিএফ জওয়ানরা তৃণমূল কর্মীদের ধাওয়া করে গ্রামের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানেই দুই তৃণমূল কর্মীর পায়ে গুলি লাগে। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে। সিআরপিএফ ৩ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে বলেও তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সকাল থেকে এখানে শান্তিতেই ভোট হচ্ছিল। বিজেপি প্রার্থী তনুজা চক্রবর্তী গাড়ি নিয়ে বুথে আসার পরই এলাকায় অশান্তি শুরু হয়ে যায়। প্রায় পাঁচটি বোমা পরে। সিআরপিএফ ৩ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে।

তবে অশোকনগরের বিজেপি প্রার্থী তনুজা চক্রবর্তী বলেন, “কোনও গুলি চলেনি। আমি যখন গাড়ি নিয়ে বুথ পরিদর্শনে আসি তখন আমার গাড়ি থেকে ৬/৭ ফুট দূরে বৃষ্টির মতো বোমা পরে। আমার গাড়ি স্টার্ট দেওয়া অবস্থায় ছিল। তাই গাড়িটা না থামিয়ে আমি গাড়ি সোজা বার হয়ে যাই। আমি বরাত জোরে রক্ষা পেয়ে যাই। তবে সিআরপিএফ কোনও গুলি চালায়নি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.