ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কয়েক দিন না পেরোতেই আবারও শ্লীলতাহানির অভিযোগ মেট্রো স্টেশনে৷ বৃহস্পতিবার কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে শ্লীলতাহানির শিকার হলেন এক কলেজ ছাত্রী। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই যুবককে আটক করেছে কালীঘাট থানার পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ওই তরুণী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি কালীঘাটে দাঁড়িয়ে মেট্রোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সেইসময় তাঁর মোবাইল বেজে ওঠে। ফোনে কথা বলতে বলতে আচমকাই তাঁর নজরে আসে এক যুবক তাঁর ছবি তুলছে৷ তিনি তড়িঘড়ি মোবাইল রেখে যুবকের সঙ্গে কথা বলেন। কেন তাঁকে না জানিয়ে তাঁর ছবি তোলা হল, সেই প্রশ্ন করেন তরুণী। যুবকটি অভিযোগ অস্বীকার করলে পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানান তরুণী। রাসবিহারী মোড়ের কাছ থেকে দু’জন মহিলা পুলিশ ওই যুবক এবং তরুণীকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাট থানায় যান। থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী। পুলিশ আপাতত ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

এই প্রথমবার নয়। এর আগেও মেট্রোয় সহযাত্রীর অশালীনতার শিকার হয়েছেন মহিলা যাত্রী। গত অক্টোবরে কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে লুকিয়ে মহিলাদের ছবি তোলার অভিযোগ ওঠে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই চলতি মাসের শুরুর দিকে মেট্রোর ভিতরে মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট আসনে বসেই এক মহিলা যাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণ করে সে। পরে ওই মহিলা প্রতিবাদ করেন। অভিযোগকারিণী এবং তাঁর স্বামী সেন্ট্রাল মেট্রো স্টেশনে নেমে পড়েন। স্টেশন মাস্টারের কাছে গোটা ঘটনা জানান তিনি। গ্রেফতার করা হয় ওই যুবককে।

কলকাতার সব থেকে আরামদায়ক এবং নিরাপদ যান হিসাবে মেট্রো রেল শহরবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে৷ ফলে যত দিন যাচ্ছে মেট্রো রেলে যাত্রী সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে৷ কয়েক বছর আগেও মেট্রো রেলে রোজ গড়ে পাঁচ লক্ষ যাত্রী হত৷ দক্ষিণে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন চালু হওয়ার পর সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ছয় লক্ষ৷ মেট্রোয় যাত্রী সংখ্যা যে গতিতে বাড়ছে, অপরাধের ‘গ্রাফ’-ও ততই উর্ধ্বমুখী হচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I