স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে নামলেন সাফাই কর্মীরা৷ ঘটনার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহার এমজেএন জেলা হাসপাতালে৷ সাফাই কর্মীদের সাফ কথা, দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন চলবে৷

এমজেএন হাসপাতালের সাফাই কর্মীদের একদিনের কর্মবিরতিতে নরককুন্ডর চেহারা নিয়েছে হাসপাতাল চত্বর৷ শনিবার তাঁদের কর্মবিরতি দু’দিনে পরেছে৷ ফলে হাসপাতাল জুরে আবর্জনার স্তুপ জমে গিয়েছে৷ বিভিন্ন ওয়ার্ডে জমে থাকা আবর্জনার জেরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে৷ এর ফলে সমস্যায় পড়ছেন হাসপাতালের রোগী থেকে রোগীর পরিজনেরা৷ যদিও দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন সাফাই কর্মীরা৷

হাসপাতাল সূত্রের খবর: ঠিকাদারের মাধ্যমে প্রায় ৪৫জন সাফাই কর্মী কাজ করছেন৷ কেউ কেউ পনেরো বা কুড়ি বছর ধরে এই হাসপাতালে কাজ করছেন৷ তাঁরা প্রতিদিন ২২০ টাকা হিসেবে মজুরি পাই৷ কর্মীদের অভিযোগ, ‘‘পিপিএফ কাটা হয়৷ কিন্তু তারও কোনও হিসেব নেই৷’’ প্রতিদিন ৪০০ টাকা মজুরির দাবিতে শুক্রবার থেকে কর্মবিরতি শুরু করছেন হাসপাতালের সাফাই কর্মীরা৷

সাফাই কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে শনিবার সেখানে যায় ঠিকাদার৷ কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি৷ বিশেষ কাজে হাসপাতালের সুপার বাইরে থাকায় সমস্যা আরও জটিল আকার নিয়েছে৷ জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,‘‘বিষয়টি শুনেছি৷ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।