স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শুনশান রাস্তাঘাট৷ যানবাহন প্রায় নেই বললেই চলে৷ বৃহস্পতিবার সকালে এরকমই ছিল কলকাতার চেহারা৷ কার্যত বনধ পালন করা হচ্ছে, রাস্তায় বেড়িয়ে ঠিক এরকমই মনে হচ্ছিল৷

সবথেকে বেশি অসুবিধায় পড়তে হয়েছে নিত্যযাত্রীদের৷ সঠিক সময়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়েও তাঁরা গন্তব্যে পৌঁছতে পারেননি৷ নিত্যদিনের তুলনায় সরকারি ও বেসরকারি বাসের সংখ্যা দৃশ্যত কম দেখা গিয়েছে৷

অটো থাকলেও সংখ্যায় অন্যদিনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম৷ হলুদ ট্যাক্সির সংখ্যায় প্রায় নেই৷ তবে রাস্তায় বেড়িয়ে বিপাকে পড়া মানুষকে ভরসা যুগিয়েছে অ্যাপ ক্যাব৷ অনেক ট্যাক্সিওয়ালাই গাড়ি চালাতে চাইছেন না নানা ঝামেলার ভয়ে৷

মোবাইলে খবরের চ্যানেল দেখে দেশের রায় জানার চেষ্টা করছেন অনেকেই৷ অনেক অটো চালকেরই বক্তব্য বেশিদূর যাব না৷ যদি কোনও ঝামেলায় পড়ে যান, এই আশংকাই করছেন তাঁরা৷

সকাল ৮টা থেকেই কলকাতায় অফিস যাত্রার ব্যস্ততা শুরু হয়৷ এদিন কিন্তু সেই ছবিটা ছিল না৷ সকাল আটটা থেকেই কলকাতার স্বাভাবিক চিত্রটা অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক আলাদা৷ রাস্তায় মানুষের সংখ্যাও ছিল কম৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।