স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: টোটো সমস্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে জলপাইগুড়ি শহরে৷ টোটোর দৌরাত্ম্যে প্রায় দিনই ছোট বড় দুর্ঘটনা লেগে থাকে৷

এমনকি শনিবার জলপাইগুড়ি শহরের ডিবিসি রোডের টোটোর ধাক্কার গুরুতর আহত হয় এক যুবক। এই ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়৷

আরও পড়ুন: জামিন পেলেন তৃণমূলের আরাবুল

অভিযোগ, বেপরোয়া ভাবে টোটো আসা-যাওয়া একটা ধারাবাহিক ঘটনা৷ কিন্তু সেই টোটো যদি আলো না জ্বালায় বা কোনও হর্ন না দেয় সেক্ষেত্রে আরও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় রাস্তায় যাতায়াত৷ এছাড়াও কোনও ইন্ডিকেটর ছাড়াই রাস্তার মাঝে যাত্রী নামানো হোক বা যাত্রী তোলা এতেও সমস্যার মধ্যে পড়েন পথযাত্রীরা৷ তবে দিনের আলোয় এই সমস্যা না হলেও রাতের অন্ধকারে প্রায়শই ভোগান্তি হয় পথযাত্রীদের৷

এলাকাবাসীর দাবি, বারবার প্রচার চালিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না৷ সচেতন হচ্ছে না টোটো চালকরা৷ তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সব টোটোচালক এই আওতায় পড়েন না৷ মূলত যারা অল্প বয়সী অর্থাৎ যুবক টোটো-চালকরাই এই বেপরোয়া রাজত্ব শুরু করেছে৷ এদিকে, এই সমস্যার জেরে নিজেদের পরিবারের সুরক্ষা ও শহরবাসীর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একদল সচেতনতামূলক প্রচার চালালেন শহরের যুবকেরা।

আরও পড়ুন: খালি পেটে মিটল দাবি, দেখিয়ে দিল মেডিক্যাল

শনিবার রাতে শহরের কদমতলা, ডিবিসি রোড সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রচার চালায় তারা৷ পাশাপাশি, পথ চলতি টোটো চালকদের দাঁড় করিয়ে টোটোর লাইট জ্বালাতে অনুরোধ করেন। এরপরও রবিবার রাতে দেখা যায়, বেশ কিছু টোটোচালক গাড়ির হেড লাইট না জ্বালিয়েই দিব্যি শহর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে৷

এই প্রসঙ্গে শহরের যুবকেরা বলেন, ‘‘আমাদের শহরের টোটো গুলি রাত হলেই লাইট না জ্বালিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তাই আমরা শহরের যুবকেরা এক জোট হয়ে আজকে সচেতনতা প্রচার চালালাম।’’ এর পাল্টা টোটো-চালকরা পরিষ্কার জানিয়ে দেন, ‘‘লাইট জ্বালালে টোটোর ব্যাটারি চলে যায়। এই কারণে লাইট মাঝেমধ্যে জ্বালাই আমরা।’’

আরও পড়ুন: ফের সাত সকালে মেট্রোয় বিপত্তি