স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ১৯ জানুয়ারি লক্ষ লক্ষ মানুষের অভিমুখ ব্রিগেড৷ শুধু রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষই নয়,দেষের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসছেন হেভিওয়েট নেতারা৷ তাই নিরাপত্তায় কোনও রকম গলদ রাখতে চাইছে না লালবাজার৷ শুক্রবার বিকেল থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে শহর৷ আকাশ পথে নজরদারি করতে পুলিশ শহরে ড্রোন ব্যবহার করবে৷

শনিবার ব্রিগেড সমাবেশ কে কেন্দ্র করে শহরে অতিরিক্ত ৬০০০ পুলিশ মোতায়েন থাকবে৷ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামানো হবে ১৫০০ বাহিনী৷ সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার পুলিশ মোতায়েন রাখা হবে শহরে৷ ব্রিগেডের সভায় ছয়টি ওয়াচটাওয়ার থেকে সশস্ত্র পুলিশ দূরবীন নিয়ে নজরদারির করবে৷ পুলিশি নজরদারি চলবে ময়দানের কাছে জওহরলাল নেহেরু রোডের বহুতলগুলির উপর থেকেও৷ ব্রিগেডের মূল মঞ্চের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ৮ জন আইপিএস৷ এছাড়া থাকবে ১২টি ক্যুইক রেসপন্স টিম, সভাস্থলের আশেপাশে থাকবে ১৫টি বিপর্যয় মোকাবিলা টিম, বাইপাসে দু’জন ডিসির নেতৃত্বে পুলিশ নজর রাখবে বিশেষ করে বাইপাস সচল রাখতে৷

ভিআইপিদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শহরকে ১২টি জোন – এ ভাগ করা হয়েছে৷ প্রতি জোন এর দায়িত্বে থাকছে এক জন করে ডিসি৷ যে সব জায়গায় ভিড় থাকবে সেসব জায়গার ভিডিও করবে পুলিশ৷ চারটি জায়গা থেকে ব্যাকপ্যাক দিয়ে লাইভ করা হবে যা সরাসরি লালবাজারে বসে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা দেখতে পারবেন৷ এছাড়া ফেরিঘাট, মেট্রো স্টেশনেও পুলিশের বাড়তি নজরদারি থাকবে৷

শহরের বিভিন্ন জায়গায় রাখা থাকবে প্রায় ১০০টি অ্যাম্বুল্যান্স, মেডিক্যাল টিম৷ চিকিৎসক ও নার্স মিলিয়ে প্রায় ১০০০ জন সদা সতর্ক থাকবেন শহরে৷ ব্লাড ব্ল্যাঙ্কগুলোকেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে৷ সুতরাং ভিআইপিদের নিরাপত্তাসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় বড় পরীক্ষার মুখে লালবাজার৷