স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: প্রয়াত সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্তর নামে সংগ্রহশালা গড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ৬কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছে এই সংগ্রহশালা৷ বরুণ সেনগুপ্তর সাংবাদিক জীবনের নানান কর্মকাণ্ডের সংগ্রহশালায় রাখা হয়েছে৷ বুধবার সংগ্রহশালাটির উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ছিলেন এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে৷

বিশিষ্ট সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্ত, গৌর কিশোর ঘোষ এবং অমিতাভ চৌধুরির নামেও শহরে রাস্তা ও মেমোরিয়াল তৈরি হবে বলে ২০১৭ সালে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ তাঁর ঘোষণা মতো, বরুণ সেনগুপ্ত সরণী, গৌরকিশোর ঘোষ স্কোয়ার, অমিতাভ চৌধুরী কমিউনিটি হল ও সরণী, সুহাসচন্দ্র তালুকদার কমিউনিটি হল ও সরনী, মন্টুরাম চৌধুরী কমিউনিটি হল ও সরনীর উদ্বোধন আগেই হয়েছে। জানা গিয়েছে, শোভন চট্টোপাধ্যায় মেয়র থাকাকালীন বরুণ সেনগুপ্তর সংগ্রহশালার কাজ শুরু হয়৷ মেয়র ফিরহাদ হাকিম কাজ শেষ করেছেন৷

প্রয়াত সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্ত স্মারক বক্তৃতায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় থাকা একান্ত জরুরি। এদিন একটি জার্নালিজম বিশ্ববিদ্যালয় গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।  অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, শাসনের নামে শোষণ কখনওই চলতে পারে না। জরুরি অবস্থার সময়ে বরুণ সেনগুপ্ত যেরকম বস্তনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করেছিলেন, তাকে দৃষ্টান্তস্বরূপ বর্ণনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি কোনও অবস্থাতেই নিজেকে বিকিয়ে দেননি।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বর্তমানে সংবাদমাধ্যমের ওপরেও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় প্রতিবাদী কণ্ঠ সংবাদমাধ্যম শক্তিশালী হলে, তবেই দেশের গণতন্ত্র আরও বিকশিত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।