স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল ২৮শে ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডের মঞ্চে থাকবেন৷ প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে মঙ্গলবার একথা জানানো হয়েছে৷

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে লড়ার কথা জানিয়েছে বাম-কংগ্রেস। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাম-কংগ্রেসের যৌথ ব্রিগেড সমাবেশ রয়েছে। ওইদিন ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে অ–বিজেপি, অ–সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আরজেডি–র তেজস্বী যাদব, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ সিং যাদবকেও বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কংগ্রেসের তরফে রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে মঞ্চে চেয়েছে বামেরা। যদিও তাঁদের বদলে মঞ্চে থাকছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল বলে খবর। আইএসএফ–এর তরফে থাকবেন আব্বাস অথবা নৌশাদ সিদ্দিকি।

আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, প্রধান বক্তার তালিকা মোটের ওপর তৈরি। সিপিআইএম–এর তরফে বক্তব্য রাখতে পারেন সীতারাম ইয়েচুরি, মহম্মদ সেলিম, সূর্যকান্ত মিশ্র, দেবলীনা হেমব্রম। আসার সম্ভাবনা রয়েছে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের। প্রধান শরিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এক জন করে বক্তা থাকবেন। সিপিআই–এর স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়, আরএসপি–র মনোজ গঙ্গোপাধ্যায়, ফরওয়ার্ড ব্লকের নরেন চট্টোপাধ্যায়।

ব্রিগেডে বিপুল লোকের জমায়েত হবে বলে আশা করছেন জোট নেতৃত্ব। তাঁদের ধারণা, সব মিলিয়ে ১০ লক্ষের বেশি মানুষ ব্রিগেডে আসবেন। যা সাম্প্রতিককালের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দেবে। জোট নেতাদের দাবি, ‘ঐতিহাসিক’ হতে চলেছে এ বারের ব্রিগেড।

জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে কংগ্রেসের তরফে রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে চেয়েছিল বামেরা৷ কংগ্রেস সূত্রে যেটা জানা গিয়েছে, বর্তমানে কেরালায় নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত রাহুল। আর বিজেপি নেতারা উঠতে বসতে বাম ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলায় দোস্তি, কেরালায় কুস্তির প্রসঙ্গ তোলেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও বেশ কয়েকবার এই ‘দ্বিচারিতা নীতি’র বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কেরালায় বামেদের উৎখাতের ডাক দিয়ে বঙ্গে তাদের সুরে সুর মেলালে সেই তিরে ফের বিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির ব্রিগেড থেকে সরে থাকার এই সিদ্ধান্ত।

সেই ‘ইতিহাস’ গড়ার লক্ষ্যে পাশাপাশিই সিপিএমের প্রচারে ঢুকে পড়েছে সম্প্রতি নেটমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ টুম্পাসোনা। টুম্পার গানের অনুসরণে ব্রিগেডমুখী একটি গান ইতিমধ্যেই নেটমাধ্যমে ঘুরছে। মূলত বামপন্থীরা গানটি তাঁদের নেটমাধ্যমে ‘শেয়ার’ করতে শুরু করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।