স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে রাজ্যে বাজেট অধিবেশনের সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগে উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যদিও মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে এখনও কোনও সফরসূচী জানানো হয়নি৷

লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করেছিল বিজেপি। তাই ভোটের অঙ্কে রাজ্যের এই প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য দুশ্চিন্তার কিছুটা অবকাশ থাকছে। এর মধ্যে পাহাড়ে বিমল গুরুংয়ের প্রত্যাবর্তন এবং তৃণমূলের হয়ে তাঁর ধারাবাহিক প্রচারে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছে শাসকদল। কিন্তু ডুয়ার্সের চা-বাগান ও কোচবিহার নিয়ে উদ্বেগ কমেনি।তাই একমাসের ব্যবধানে ফের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে তৃণমূল এখন থেকেই ঘর গোছাতে নামছে। সেই লক্ষ্যেই রাজ্য থেকে ব্লক স্তর পর্যন্ত ঢেলে সাজানো হয়েছে সংগঠন। ঢেলে সাজানো হয়েছে যুব সংগঠনও। তারমধ্যেই অনেক তাবড় নেতা দল ছেড়েছে৷ পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে চাঙ্গা করতে উত্তরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ উল্লেখ্য, ডিসেম্বর মাসেই উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন তিনি৷ নেত্রীর স্বল্প সময়ের মধ্যে ফের উত্তরবঙ্গ সফর তৃণমূলকে কতটা চাঙ্গা করতে পারে, সে দিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক শিবিরের।

ইতিমধ্যে আবাসন ও শ্রম দফতর যৌথ সমীক্ষা চালিয়ে সাতটি চা-বাগানের ৩,৬৯৪ জন শ্রমিকের নামের তালিকা বানিয়েছে। চিহ্নিত হয়েছে জমিও। মুখ্যমন্ত্রী চান ভোটের আগেই গৃহহীন শ্রমিকদের জন্য ঘর তৈরির কাজ শুরু করতে। ডিসেম্বরে কোচবিহারে গিয়ে মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গে আটটি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। লোকসভা ভোটের নিরিখে এই আটটির মধ্যে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, রায়গঞ্জ, বালুরঘাট, মালদহ উত্তর, এই সাত আসন বিজেপি দখল করেছিল। অন্যদিকে কংগ্রেস দখল করেছিল শুধুমাত্র সালদহ দক্ষিণ আসনি। উত্তরবঙ্গের আট আসনের মধ্যে তৃণমূল কোনও আসনই পায়নি। বিধানসভায় এগিয়ে থাকার নিরিখে ২০১৯-এর নির্বাচনে বিজেপি ৩৬ টি আসনে এবং তৃণমূল ১৪ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। আর কংগ্রেস ছটি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।