কলকাতা : রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষের (Post Poll Violence) ঘটনায় সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তাদের “সংযত” থাকতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দেখেছি যেখানে বিজেপি জিতেছে, সেখানে সংঘর্ষের ঘটনা বেশি হচ্ছে। আসলে বিজেপি জনগণের ম্যান্ডেট মানতে পারছেন না। আমি বিজেপিকে বলছি সংযত হোন।”

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, “কেন্দ্রীয়মন্ত্রীরা (Central Minister) রাজ্যে এসে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছেন। হামলা ও দাঙ্গার উস্কানি না দিয়ে আমি তাদের সংযত থাকতে বলছি। এবার থেকে বাইরে থেকে কেউ রাজ্যে এলে তাঁর আর টি পি সি আর সার্টিফিকেট আনতে হবে। না হলে আমরা আর টি পি সি আর (RT PCR) করব। মন্ত্রী বা যেই আসুন সবার ক্ষেত্রে এই আইন সমানভাবে জারি থাকবে। এমনকি আমার ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কথার মধ্যদিয়ে বুঝিয়ে দেন, রাজ্যে করোনা আবহে যখন তখন যে কোনও কেউ ঢুকে পড়তে পারবেন না।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নিয়েছেন বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে। রাজভবনে দাঁড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে তিনি জানিয়েছেন রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষ বন্ধ করতে তিনি উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু বুধবার সন্ধ্যায় দিল্লি থেকে চিঠি আসে রাজ্যের নির্বাচন পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় দল (Central Team) চলে আসে রাজ্যের সদর দফতর নবান্নে। সেখানে এসে তারা মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-র সঙ্গে বৈঠক করেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, “একটা সরকার শপথ নেওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার হয়নি। এরই মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় লেটার আর আজ সকালে টিম চলে এল। এসেছে আসুক, চা চেয়ে চলে যাক। কিন্তু কোনও ভাবেই রাজ্যে উস্কানি দিতে দেওয়া হবে না। কোচবিহারে বিজেপি হিংসা করছে। উদয়ন গুহকে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছে। উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা হলে তো টিম যায় না, হাতরাস হলে তো টিম যায় না, ২৪ ঘণ্টা সরকারের কাটলো না এর মধ্যেই লেটার, টিম চলে আসছে?”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.