স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কায় গোটা দেশ। আম-আদমির মনে এখন প্রশ্ন, ফের কি লকডাউনের পথে হাঁটবে কেন্দ্র? নির্বাচনী প্রচারসভা থেকে সেই সম্ভবনাই উস্কে দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, “ ভোটের অপেক্ষায় বসে আছে কেন্দ্র। ভোট মিটলেই দেশজুড়ে লকডাউন করবে ওরা।”

ভোট মিটলেই লকডাউন ঘোষণা করবে মোদী সরকার। প্রচার মঞ্চ থেকে এমনই দাবি করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, “ভোটের পরই দেশজুড়ে হবে লকডাউন। ভোটের অপেক্ষায় বসে আছে কেন্দ্র। আগে যেনতেন প্রকারেণ বাংলা দখল করবে। তার পরই লকডাউন করবে ওরা। লকডাউন হলে বিনে পয়সায় খাদ্য পৌঁছে দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি না থাকলে বিনে পয়সায় স্বাস্থ্য, খাদ্য কিছু পাবেন না সাধারণ মানুষ।”

লালগোলার সভা থেকে ফের অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন অভিষেক। অভিষেকের কথায়, “উনি ভোটের প্রচারে এসে বারবার বলছেন, রাজ্যে বেআইনি অনুপ্রবেশ ঘটছে। সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্ব কার? আন্তর্জাতিক সীমান্ত সামলান বিএসএফরা। তাঁরা তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন। তাহলে বেআইনি অনুপ্রবেশ হলে দোষ কার? এই ইস্যুতে তো আপনার ইস্তফা দেওয়া উচিৎ।”

মুর্শিদাবারে অধীরের গড়ে দাঁড়িয়েই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে নিশানা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে এদিন বলেন, ‘‌কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে বিজেপির হাত শক্তিশালী করা। ১০ বছর ধরে মানুষের পাশে থেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষের মাথায় কখনও ঋণ চাপাননি। গ্যাসের দাম ৯০০ টাকা। সরষের তেলের দাম মাত্রা ছাড়িয়েছে। প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া। একবারও সংসদে দাঁড়িয়ে এগুলোর প্রতিবাদ করেননি অধীর চৌধুরী।

দিল্লি, পাঞ্জাব, রাজস্থান, ছত্তীশগড় ও উত্তপ্রদেশের কয়েকটি রাজ্যে লকডাউন ঘোষিত হয়েছে। তবে সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন এই রাজ্যে এখনও লকডাউন নিয়ে কোনও পরিকল্পনা নেই তার। কিন্তু এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ভাবে লকডাউনের কথা জিইয়ে রাখলেন তাঁর সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.