কলকাতা: ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। ভয়াবহ সুপার সাইক্লোন আমফান মুহূর্তে বদলে দিয়েছে গোটা শহরকে। আয়লার ভয়াবহ স্মৃতিও এর কাছে কিছুই নয়। কলকাতা এমন ধ্বংসলীলা দেখতে অভ্য়স্ত নয়। কিন্তু বুধবার ২-৩ ঘণ্টায় সমস্ত বদলে গেল। ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৩ কিলোমিটার। ঝড়েপ পরে শুধুই রাস্তা জুড়ে পড়ে থাকল ধ্বংসাবশেষ। অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত আমফানের জেরে।

ঝড়ের দাপট এতই বেশি ছিল যে অঙ্কুশের বাড়ির বাথরুমের ছাদ ভেঙে পড়েছে। বাথরুমের ছাদের অংশ ভেঙে গিয়ে ঝুলছে গিজারের উপরে। এমন ঝড়কে ভূমিকম্পের সঙ্গে তুলনা করেছেন অঙ্কুশ। অভিনেতা ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন ছবি। ক্যাপশনে লিখেছেন, এ কি ঘূর্ণিঝড় নাকি ভূমিকম্প।

বুধবার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও একটি টুইট করে আমফানের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরেছিলেন। ঝড়েরও যে এমন গর্জন থাকতে পারে তা কলকাতার মানুষের এভাবে জানা ছিল না। মিমি একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন

ভিডিওর মাধ্যমে মিমির বাড়ির জানলা দিয়ে সুপার সাইক্লোন আম ফানের শোঁ শোঁ শব্দ শোনা যাচ্ছে। ঝড়ের যে এমন প্রবল গর্জন থাকতে পারে তা কলকাতার মানুষের কাছে কল্পনাতীত বললে ভুল বলা হবে না। টুইটে মিমি লিখেছেন, “আমার বাড়ির জানলা যে কোনও সময় ভেঙে যেতে পারে। এই বছর সব চেয়ে সাংঘাতিক জিনিসগুলির অভিজ্ঞতা হচ্ছে।”

দমদম এলাকায় ঝড়ের দাপট ছিল সবচেয়ে বেশি। ঘণ্টায় ১৩৩ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়েছে। অসংখ্য গাছ পড়ে গিয়েছে। ড়ের তীব্রতা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে উপরে গিয়েছে বহু বৈদ্যুতিক খুঁটি। যার ফলে বহু এলাকা এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। উত্তর ২৪ পরগনায় ৫ হাজার কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। এক কথায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কতটা তা ক্রমশ প্রকাশ্য।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।