নয়াদিল্লি : দেশের বহু বন্যপ্রাণী ক্রমে হারিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটছে। তালিকা ক্রমশ বড় হচ্ছে সংরক্ষণের। ন্যশানাল বোর্ড ফর ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড ইউনিয়ন মিনিস্ট্রি অফ এনভারন্মেন্ট এবং ফরেস্ট ক্লাইমেট চেঞ্জ জানাচ্ছে সেই তালিকায় নয়া সংযোজন ক্যারাকেল। এটি একটি বিড়াল প্রজাতি। এর লম্বা লম্বা কানের উপরে ঝুঁটির মতো একটি অংশ থাকে।রাজস্থান ও গুজরাটে এটি পাওয়া যায়। কিন্তু সেটিই এখন অস্বতিত্ব রক্ষার সঙ্গে লড়ছে।

ক্যারাকেল যে একেবারে নিশ্চিহ্ন হতে বসেছে তা নয় কিন্তু এর সংখ্যা দ্রুত কমছে। কমতে কমতে এটি খাদের দিকে ক্রমে এগোচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। তাই আগে থেকেই এই ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যরাকেল দেখতে সোনালী রঙের এবং লম্বাটে। মুখে অদ্ভুত ধরনের বেশ কিছু চিহ্ন রয়েছে। বলা হয় বন বিড়ালদের মধ্যে এরাই সবচেয়ে সুন্দর। এদের ‘ডেজার্ট লিনক্স’ নামেও ডাকা হয়। আফ্রিকায় ছোট বিড়াল প্রজাতিদের মধ্যে ক্যারাকেল ওজনে সবচেয়ে ভারী এবং দ্রুতগামী। আকারে এবং স্বভাবে এরা বনবিড়ালের মতই হয়ে থাকে। দৈর্ঘ্যে এরা দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত হয়। এদের ওজন ১২ থেকে ১৮ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এদের জীবনকাল ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ক্যারাক্যালের চেহারায় লক্ষ্যণীয় বৈশিষ্ট্য হল এদের খাড়া কান, যাতে রয়েছে রেশমি চুলের ঝুঁটি। এটি এদের ছদ্মবেশ ধারণে সাহায্য করে। তবে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মতবাদটি হলো ঝুঁটির মাধ্যমে এরা একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারত পর্যন্ত এদের বিস্তার। সাভানা, শুষ্ক পাহাড়ি অঞ্চল, মরুভূমিতে বাস করার জন্য ক্যারাক্যাল বিশেষভাবে অভিযোজিত।

অন্যান্য বিড়ালদের মতো ক্যারাক্যালও মাংসাশী। রাতে এরা শিকারের জন্য বের হয়। এদের পছন্দের খাবারের মধ্যে রয়েছে বেজী, ইঁদুর, হাইরাক্স, ডিক ডিক এবং বানর। কখনো কখনো এরা ইম্পালাদের মত বড় স্তন্যপায়ীদের আক্রমণ করে বসে। তাছাড়া গৃহপালিত প্রাণীদের প্রতিও এদের লোভ রয়েছে। চটপটে এই শিকারিদের ঝাঁপ দেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ। এরা ১০ ফুট পর্যন্ত লাফিয়ে পাখি শিকার করে।

ক্যারাক্যাল তাদের ধারালো নখ দিয়ে শিকারের ওপর আক্রমণ করে। এরা গাছে চড়তে পারে। কখনো কখনো গাছের ডালে এদের মৃত শিকারকে পরে খাওয়ার জন্য লুকিয়ে রাখে। এরা সম্ভবত এদের অঞ্চলে সর্বোচ্চ শিকারি। অন্যান্য বিড়াল প্রজাতির মতো ক্যারাক্যালও নানা ধরনের আওয়াজ করতে পারে। তাছাড়া এটি চিতা বাঘের মতো কাঁদতে জানে। কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখলে এরা ওয়াহ-ওয়াহ শব্দ তৈরি করে।

নিজের উপস্থিতি জানান দিতে এবং মিলনে আমন্ত্রণ জানাতে এরা পায়ের আঙ্গুল এবং মুখের গ্রন্থি থেকে এক ধরনের গন্ধ ছড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে নিজের সীমানা চিহ্নিত করতে পায়ের নখ দিয়ে গাছে আঁচড় কেটে রাখে।

ক্যারাক্যাল তাদের নিজস্ব এলাকায় একা ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে। নিজের এলাকায় অন্যের প্রবেশ শক্তভাবে প্রতিরোধ করে এরা। পুরুষ ক্যারাক্যাল তাদের সন্তানদের দেখভাল করে না। স্ত্রীরা দূরে নির্জন স্থানে গর্তে বাচ্চা প্রসব করে। জন্মের ১০ দিন পর বিড়াল শাবক চোখ খুলে। এক থেকে দুই মাস বয়সে এরা মাংস খেতে শিখে যায়। মায়ের কাছ থেকে শিখে নেয় শিকার কৌশল। পাঁচ মাস পর এদের দাঁত স্থায়ী হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।