তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘এখন মানুষই বলছেন ওরা বুদ্ধিজীবি নন, ধান্দাজীবি’। সোমবার পৌরসভা ভোটের প্রচার ও সিএএ বিলের সমর্থনে বাঁকুড়া শহরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে বেরিয়ে রাজ্যের বুদ্ধিজীবিদের একাংশকে এভাবেই দূষলেন বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার।

তিনি আরও বলেন, মানুষ সব বুঝে গেছেন। প্রকাশ্যে সেভাবে কেউ মুখ না খুললেও তাদের কাছে ‘গড়গড় করে সব কথা বলছেন’ বলে তিনি দাবি করেন। পৌরভোটের প্রচার বিজেপি শুরু করে দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা মানুষের কাছে বলছি, এবার ভোটটা উল্টে দিন। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার গত পাঁচ বছরে পৌরসভা গুলিকে তিন গুণ টাকা দিয়েছে। তারপরেও মানুষ ন্যুনতম পরিষেবা পাননি। পেলেও শাসক দলের নেতাদের ‘কাটমানি’ দিতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সিএএ বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলিকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাঁকুড়া পৌরসভায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। শুধু ‘ভাগাভাগি’ হয়েছে বলে তাঁর দাবি। লোকসভা ভোটের ফলাফলের কথা তুলে ধরে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, এবার আর ২৩ নয়, বাঁকুড়া পৌরসভার ২৪ টি ওয়ার্ডের সবকটিতেই বিজেপি প্রার্থীরা জয়লাভ করবেন ও বিজেপি পৌরবোর্ড গঠন করবে।

সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকারের নেতৃত্বে, এদিন বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা বাঁকুড়া পৌরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। সিএএ সমর্থণে দলের তরফে নিজেদের বক্তব্য হাজির করেন সাধারণ মানুষের কাছে। সবমিলিয়ে সিএএ কে হাতিয়ার করেই পৌরসভা দখলে মরিয়া জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এমনটাই মনে করছেন জেলা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।