বুকারেস্ট: ড্রাকুলা শব্দটি নিজেই এতো ভয়ংকর যে সেই নাম নিলেই সারা গায়ে কাঁপুনি জাগে। এর অস্তিত্বের কাহিনী লোকমুখে শোনা হলেও বাস্তবে এমন এক রাজার অস্তিত্বের গল্প শুনলে আপনারা ভয় পাবেন। তার শাসনকালে প্রজারা যা কষ্ট ভোগ করেছে তা সত্যিই অবাক করবে। শুধু নাম নয়, তার কাজও ছিল ড্রাকুলার মতোই। নিজের রাজ্যের মানুষদের সঙ্গে তিনি যে নির্মম ব্যবহার করতেন তা যে কোনো ড্রাকুলার নির্মমতার সমান।

তবে ড্রাকুলা ছিল এই রাজার পদবি। রোমানিয়ার ট্রানসিলভানিয়ার এক ছোট্ট জনপদ ‘ব্রান ক্যাসেল’-এ সত্যিই একটি দুর্গের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। অসংখ্য পর্যটক এখন সেখানে যান সেই রক্ত জল করা অনুভূতি নিতে। আশি হাজার থেকে প্রায় এক লাখ মানুষকে নাকি তিনি জ্যান্ত শূলে ছড়িয়েছেন। এছাড়াও একবার এক মহিলা শূলে বিদ্ধ একটি মৃতদেহ থেকে পচা গন্ধ আসার অভিয্যগ জানালে রাজা তাকেই সবথেকে উঁচু শূলে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন চিরতরের জন্যে।

আরো পোস্ট- কীভাবে হওয়া যায় আদর্শ দম্পতি

পিতা ভ্লাদ ড্রাকুল অটোমান মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধে একটি গোপন সংঘ “অর্ডার অফ দ্য ড্রাগন”-এর সদস্যপদ নেন। সেই সময় থেকেই ড্রাকুলা উপাধে দেওয়া হয়েছিল তাকে। ড্রাকুলা কথার অর্থ ড্রাগনের সন্তান। সত্যিই পরবর্তীকালে যে তার সন্তান এমন দহকুলা ন্যায় আচরণ করবে তা কে জানতো। তিনি কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিলে তাকে তিলে তিলে মারতেন। শরীরের মধ্যে দিয়ে শূল প্রবেশ করতেন যান বের করা হতো কাঁধ, গলা, কান দিয়ে। এছাড়া, গর্ভবতী নারীদের তলপেটের দিয়ে শূল ভরে দেওয়া হতো। এতে তার সন্তান আগে কষ্ট পেতো। আবার মানুষ খুন করে সেই রক্তে স্নান করতেন, রক্ত পানও করতেন তিনি। খেতে বসলে বন্দিদের সেখানে এনে সামনেই কেটে ফেলে সেই রক্ত দিয়ে রুটি খেতেন। যদিও এগুলি লোকমুখে প্রচারিত হয়েছে। আবার কোথাও আক্রমণ করতে গেলে সেই শহর ঘিরে দিতেন মৃতদেহ দিয়ে। এতে সেখানকার মানুষ মানসিকভাবেই অনেক দুর্বল হয়ে পড়তো। এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তা যে ভয়াবহতা তৈরী করেছিল তা সত্যি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।