শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : ২০২১-এর বাম,কংগ্র্রেস জোট প্রক্রিয়ায় আবার ২০১৬-র ছায়া। কোনওভাবেই যেন বাম-কংগ্রেস (Congress)জোটের জট কাটছে না। কাল ব্রিগেড সমাবেশ (Brigade Meeting)। সেই সমাবেশ থেকে জোট ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু সেটা হলো না। বাম-কংগ্রেস আসন সমঝোতা নিয়ে আজ শনিবার বৈঠকের পর কথা ছিল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (Indian Secular Front) সঙ্গে কংগ্রেসের বৈঠক হবে কিন্তু বাম-কংগ্রেস বৈঠকে আসন নিয়ে জোটের জট না কাটায় সেই বৈঠক ভেস্তে গেলো।

কংগ্রেসকে এখনও পর্যন্ত বামেরা ৯২টি আসন ছেড়েছে। কংগ্রেস মোট ১১০টি আসন আজ দাবি করে বসেছে সিপিএম-এর কাছে। শনিবারের বৈঠকে সিপিএম-এর কাছে অধীর রঞ্জন চৌধুরী(Adhir Ranjan Chowdhury) আরও ১৮টি আসন দাবি করেন। কংগ্রেসের যুক্তি , ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টকে কংগ্রেস যে ১০টি আসন দেবে সেটা এই ১৮টি আসন থেকে দেবে। অর্থাৎ প্রথম দফায় ৯২টি এবং এখন ১৮টি নিয়ে মোট ১১০টি আসন কংগ্রেস পেলে তার থেকে ১০টি আসন তারা ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টকে দিয়ে নিজেরা ১০০টি আসনে প্রার্থী দেবে।

সিপিএম অধীর রঞ্জন চৌধুরীর এই শর্তে এখনই রাজি হয়নি বলে জানা গেছে । কংগ্রেস সূত্রে জানা গেছে সিপিএম যদি আজ কংগ্রেসকে আরও ১৮টি আসন ছাড়তো, তাহলে আজই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেসের আসন নিয়ে বোঝাপড়া চূড়ান্ত হয়ে যেত, তবে সেটা হলো না। তাই অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, “আব্দুল মান্নান ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে জোট নিয়ে কথা বলবেন।”

এদিকে বামফ্রন্ট শরিকদের আপত্তিতেই সিপিএম (CPM) কংগ্রেসকে ৯২টি আসন ছাড়ার পর আরও ১৮টি আসন ছাড়তে সমস্যায় পড়েছে। কেননা তাহলে ২৯৪টি আসনের মধ্যে কংগ্রেসকে ১১০টি ছেড়ে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টকে ৩০টি আসন ছাড়লে বামেদের ভাগে থাকে আর ১৫৪টি আসন। তার থেকে বামফ্রন্ট শরিক ও অন্য শরিকদের দিলে সিপিএম নিজে কটা আসনে দাঁড়াবে?

এদিকে কংগ্রেসের অন্দরের খবর বামেদের চাইতে কংগ্রেসের জনভিত্তি অনেক বেশি। সেটা গত নিধানসভা নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে। তাই তারা সঙ্গত কারণেই বেশি আসন চাইছে বামেদের কাছে।

এর ফলে যা ঘটলো তাতে রবিবারের ব্রিগেড থেকে জোটের বার্তা মানুষের কাছে দিতে পারলো না বাম-কংগ্রেস। এটা ঠিক ২০১৬ ও ২০১৯-এর বাম ও কংগ্রেস জোটের জটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

তবে অধীর কংগ্রেস নেতা রঞ্জন চৌধুরী ও সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম (MD. Selim) এখনও আশাবাদী জোট হবে। অধীরবাবু বলেছেন, “আমরা রাজ্যের তৃণমূল ও বিজেপিকে পরাজিত করে ক্ষমতা দখলের দিকে এগোচ্ছি ব্রিগেড থেকে কাল সেই বার্তাই দেব।” মহম্মদ সেলিম বলেছেন, “আজ আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট আসন চেয়েছে। আলোচনা করে যাতে একসঙ্গে লড়তে পারি তার ব্যবস্থা হচ্ছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।