তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ এক বিকেলের বৃষ্টিতেই জল থৈ থৈ অবস্থা প্রায় বাঁকুড়া জেলা জুড়েই। জেলার অধিকাংশ নদী গুলিতেই জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালে মানকানালী এলাকায় গিয়ে দেখা গেল ঐ এলাকার গন্ধেশ্বরী নদীর সেতুর উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করেছে।

তার মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসংখ্য সাধারণ মানুষ ও টিউশান ফেরৎ ছাত্র ছাত্রী সাইকেল নিয়ে সেতু পারাপার করছেন। ফি বছর সামান্য বৃষ্টিতেই এই সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ার ফলে ঐ এলাকার মানকানালী, করনজোড়া, কাঁটাবনি-সহ পঞ্চাশটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম সমস্যায় পড়েন।

স্থানীয় বাসিন্দা রাজেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, সেতু তৈরী হয়েছে ঠিকই। সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। রুটি রুজির টানে প্রতিদিন এই এলাকার অসংখ্য মানুষ এই সেতু দিয়েই যাতায়াত করেন। অল্প বৃষ্টিতেই এই সেতু জলের তলায় চলে গেলে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর আগে এই এই সেতু পেরোতে গিয়ে একাধিক দূর্ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি দাবী করেন।

অন্যদিকে, সিমলাপালের শিলাবতী নদীর উপর পাথরডাঙ্গা কজওয়েটিও জলের তলায়। ফলে লক্ষীসাগর- বাঁকুড়া ভায়া হাড়মাসড়া বাস যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ। সমস্যায় নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। পূর্বতন বাম আমলে শিলাবতী নদীর উপর এই কজওয়ে তৈরী হয়। কিন্তু প্রতিবছর বর্ষায় বেশ কয়েকবার সামান্য বৃষ্টিতেই কজওয়ের উপর জল উঠে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে এই এলাকার নতুন করে সেতু তৈরীর দাবী জোরালো হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ