স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া: চোখে গবেষক হওয়ার স্বপ্ন।সেই স্বপ্নকে সাথে নিয়েই কঠোর অধ্যাবসায়ের সাথে নিজের মেধার মাধ্যমে নিজেকে রাজ্যের দ্বারে তুলে ধরল উলুবেড়িয়ার কিশোর সৌভাগ্য পাত্র। মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।পর্ষদ ঘোষিত মেধা তালিকায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে উলুবেড়িয়া-১ ব্লকের খড়িয়া ময়নাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সৌভাগ্য পাত্র।

গ্রামীণ হাওড়ার প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা সৌভাগ্যের প্রাপ্ত নাম্বার ৬৮৭।বাংলা ও ইংরাজিতে ৯৬,অঙ্ক ও জীবন বিজ্ঞানে ১০০,ইতিহাস ও ভৌত বিজ্ঞানে ৯৮,ভূগোলে ৯৯ পেয়েছে এই কৃতি ছাত্র।সৌভাগ্য জানায়, বাবাই তার শিক্ষাগুরু। নবম শ্রেণী পর্যন্ত কোনও টিউশন ছিল না। তবে দশম শ্রেণিতে একজন টিউটরে ছিলেন। বাবাই মূলত তার প্রেরণাদাতা। সৌভাগ্যের কথায়, ‘আমি কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা করতে চাই। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছি।’ ছেলের এমন কৃতিত্বে খুশি বাবা-মা। সৌভাগ্যের বাবা পেশায় স্কুল শিক্ষক। বাবা স্নেহময় পাত্র বলেন, ‘একাদশ শ্রেণীতে ছেলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়বে।নরেন্দ্রপুরে ফর্ম ফিলাপ করেছে। ওখানে চান্স না পেলে উলুবেড়িয়ায় পড়বে।’

এবারেও জেলাতেই জয়জয়কার মাধ্যমিকের ফলাফলে। ৬৯৪ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে অরিত্র পাল। মেধাতালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ৮৪ জন। মেমারি বিদ্যাসাগর মেমোরিয়ালের ছাত্র অরিত্র। মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দুজন জন প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। পূর্ব বর্ধমানের সায়ন্তন গড়াই, বাঁকুড়ার অভীক দাস, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। ৬৯০ পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে অরিত্র মাইতি,কাঁথির সৌম্য পাঠক, পূর্ব মেদিনীপুরের দেবাশিস মহাপাত্র, উত্তর ২৪ পরগণার অরিত্র মাইতি। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জুনেই প্রাকশিত হবে মাধ্যমিকের ফলাফল। কিন্তু, তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ১৫ জুলাই প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফলাফল। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে জানা যাচ্ছে্ ফলাফল। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়। এ বছর মোট ১০ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৮৮ জন পরীক্ষা দিয়েছে। গতবারের তুলনায় এ বার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৩ হাজার কমলেও, ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা বেশি ছিল। এ বছর ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৭৯ জন ছাত্র পরীক্ষায় বসে। মেয়েদের সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯ জন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ