মহিষাদল: রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে পরিচিত নাম মহিষাদল রাজবাড়ি। পর্যটকদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা পরিষেবার সুবন্দোবস্ত৷ তবে রাজবাড়ির দিঘিতে ছিল না বোটিং-এর ব্যবস্থা৷ ফলে রাজবাড়িতে ঘুরতে গিয়ে প্রায়ই আক্ষেপ শোনা যেত পর্যটকদের মুখে৷ এবার অবশ্য সেই আক্ষেপ মিটতে চলেছে৷ মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে বছর শেষেই রাজবাড়ির দিঘিতে চালু হল বোটিং পরিষেবা৷

আরও পড়ুন: এবার নিরাপত্তার মোড়কে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়

ইতিমধ্যে মহিষাদল রাজবাড়ির কিছু অংশ হেরিটেজ ঘোষণা করে তার রূপ বদলে করার কাজ শুরু হয়েছে। প্রাচীন মহিষাদল রাজবাড়িকে কেন্দ্র করে বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। সেই সমস্ত ভ্রমণপ্রিয় মানুষদের জন্য অতিরিক্ত পাওনা এই বোটিং পরিষেবা। জেলা পর্যটন দফতর ও মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ উদ্যোগেই মহিষাদল রাজ বাড়ির দিঘিতে বোটিং পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি সকলেই৷

মহিষাদলের বিডিও জয়ন্তকুমার দে বলেন, জেলা পর্যটন দপ্তর থেকে মহিষাদল রাজবাড়ির দিঘিতে পর্যটকদের জন্য দু’টি নৌকা দিয়েছে। সেগুলি আমরা পর্যটকদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য চালু করেছি। সরকারি নিয়ম মেনেই পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থার কথা আমরা মাথায় রেখেছি৷’’ প্রাথমিকভাবে দু’টি বোট দিঘিতে নামানো হলেওপরে তার সংখ্যা বাড়বে৷

আরও পড়ুন: আশঙ্কাজনক প্রবীণ অভিনেতা কাদের খান

বোটিং পরিষেবার দায়িত্বে থাকা হারাধন মান্না জানান, ‘একটি বোটে চার জন উঠতে পারবেন। মাথা পিছু ২০ মিনিটে ২০ টাকা দিতে হবে। প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত বোটিং পরিষেবা চালু থাকবে।’

মহিষাদল রাজবাড়ির দিঘিতে বোটিং পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি স্কুল, কলেজের পড়ুয়া থেকে পর্যটক সকলেই। উলবেড়িয়া থেকে আগত সুব্রত দাস জানান, ‘আগেও কয়েকবার মহিষাদল রাজ বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। কিন্তু তখন বোটিং পরিষেবা ছিল না। নতুন বছরের আগে আবার বেড়াতে এসে বোটিং পরিষেবা পাওয়ায় খুব ভালো লাগছে। বন্ধুদের সঙ্গে খুব মজা করলাম।’

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর মুখে রাজ্যে বোমা বন্দুকের কুটির শিল্পের কথা

মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্য জানান, পর্যটকদের জন্যই এই পরিষেবা৷ ফলে তাদের ভালো লাগাই আমাদের উপহার৷

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প