নয়াদিল্লি: ২০১৭ সালের পর থেকে সময় ধরলে এখন পর্যন্ত সবথেকে বৃহত্তম সৌর শিখা তৈরি করেছে সূর্য। যা সূর্যের সৌর চক্রটি আরও সক্রিয় হয়ে ওঠার ইঙ্গিত হতে পারে। এই ধরনের ঘটনায় মহাকাশের স্যাটেলাইট অথবা রেডিও সরঞ্জামের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূর্যের স্পটগুলির জটিল চৌম্বকীয় ক্ষেত্রকে সূর্যের অন্ধকার অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত করেছিল নাসা।২৯ শে মে, এই সানস্পটগুলি থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট্ট একটি সৌর শিখা এসেছিল। যা কিনা বায়ুমণ্ডলে ক্ষতিকারক বিকিরণ পাঠায়।

এই শিখাটিকে এম ভাগে ফেলা হয়েছে। যা সৌর শিখার শক্তির ক্ষেত্রে মধ্যম ভাগকেকে প্রতিনিধিত্ব করে। যা কিনা সি-বর্গের শিখার চেয়ে আরও শক্তিশালী, তবে এক্স-শ্রেণির শিখার মতো শক্তিশালী নয়।

সৌরশিখার প্রতিটি শ্রেণি আগেরটির চেয়ে দশগুণ বেশি শক্তিশালী। এটি মূলত পাঁচটি শ্রেণিতে বিভক্ত: এ-শ্রেণি, বি-শ্রেণি, সি-শ্রেণি, এম-শ্রেণি এবং এক্স-শ্রেণি। কোনও শিখা যদি এক্স-ক্লাসে পৌঁছায় তবে তা আগেরটির থেকে ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

জানানো হয়েছে এই এই এম-ক্লাসের শিখাটি একটি ছোট রেডিও ব্ল্যাকআউটের কারণে ঘটেছে। যদিও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে সতর্কতা জানানোর মতো এতটা প্রবল ছিল না ওই শিখাটি। সূর্য আমাদের পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। তাই এই লক্ষণ দেখে মনে করা যেতে পারে যে আমাদের নিকটতম নক্ষত্র আরও বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

সূর্যের একটি ১১ বছরের নিজস্ব চক্র রয়েছে। যেখানে এটির ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি এবং হ্রাস পায়। সূর্যের শক্তিশালী ক্রিয়াকলাপ মহাকাশে এনার্জি পাঠাতে পারে। যার ফলে রেডুও জোগাজোগে বিপত্তি বাঁধতে পারে এবং এনার্জি গ্রিডের ওপরেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

রেডিও কমিউনিকেশন ও স্যাটেলাইটগুলিকে রক্ষা করতে এবং মহাকাশচারীদের রক্ষার্থে এই সৌরচক্রগুলিতে কখন ক্রিয়াকলাপ চলছে, তা বিজ্ঞানীদের জানা একান্ত প্রয়োজন।

তবে এটির জন্য বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন। ওই শিখা কখন বেরিয়েছিল এটা জানতে বিজ্ঞানীদের ছয় মাস অথবা একবছর সূর্যকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV