কলকাতা: এবার থেকে এক লক্ষ টাকার মধ্যে কোনও জরুরি পরিষেবা করতে আর টেন্ডার বা ওয়ার্ক অর্ডারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। দ্রুত সেই কাজ শুরু করে সাতদিনের মধ্যেই তা শেষ করে দেওয়া হবে। শীঘ্রই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে বিধাননগর পুরসভা।পুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাউন্সিলরদের থেকেই এই প্রস্তাব এসেছে৷

পুরসভার পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আলো খারাপ হলে, জলের পাইপ লাইন ফেটে গেলে, ডেঙ্গুর প্রকোপ রুখতে তেল ও ধোঁয়া ছড়াতে ও জঞ্জাল সাফাইয়ের মতো কাজ এবার সাতদিনের মধ্যেই সমাধান করা হবে৷এক কাউন্সিলার বলেন, মূলত এলাকায় এই কয়েকটা সমস্যাই বেশি দেখা যায়৷ যেমন কোনও রাস্তার আলো খারাপ হলে দীর্ঘদিন সেই রাস্তায় অন্ধকার থাকে৷

কারণ টেন্ডার প্রক্রিয়ার জন্য দেরি হয়৷ ফলে বাসিন্দাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ভ্যান খারাপ থাকলে জঞ্জাল সংগ্রহের কাজ হামেশাই ব্যাহত হয়। এরকম ক্ষেত্রে এবার থেকে আর সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়ার জটিলতার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। তাই সাধারণ মানুষকে আরও ভালো পরিষেবা দেওয়া যাবে বলেই কাউন্সিলাররাও মনে করছেন।

নিকাশি বিভাগের এক কর্তা বলেন, বর্ষায় অত্যধিক বৃষ্টির কারণে জল জমার সমস্যা দেখা যায়। কিন্তু, অনেক সময় পাম্প খারাপ থাকায় পদক্ষেপ করতে সমস্যা হয়। এবার থেকে তা আর হবে না৷ ফলে নাগরিক জরুরি পরিষেবা আরও ভালোভাবে দেওয়া যাবে৷উল্লেখ্য, পুর আইনে এবিষয়ে পুরসভাকে ক্ষমতা দেওয়া থাকলেও পুরসভার নিজস্ব কোনও বিজ্ঞপ্তি না থাকায় এতদিন আইনটি কার্যকর সেভাবে হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।