স্টাফ রিপোর্টার, শিলিগুড়ি: লোকসানের বিপুল ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই বন্ধ হল বেঙ্গল সাফারি পার্ক। ২ মে, রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হচ্ছে পার্ক৷  বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যদিও বন্যপ্রাণীদের দেখাশোনার জন্য কিছু সংখ্যক কর্মীরা ভিতরে নিয়মিত কাজ করবেন৷

আরও পড়ুন: যাঁদের দ্বিতীয় ডোজ বাকি তাঁদের আগে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে: মুখ্যমন্ত্রী

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। প্রতিদিনের সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা দর্শনীয় স্থান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরই অনির্দিষ্টকালের জন্য বেঙ্গল সাফারি পার্ক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। ইতিমধ্যেই পার্ক বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি শিক্ষক সমিতির

গতবছর করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন করা হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। লকডাউনে দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর গত ২ অক্টোবর করোনা বিধি মেনে খোলে বেঙ্গল সাফারি। কিন্তু তারপর পর্যটকদের ভিড় তেমন জমেনি। গত বছরের পর্যটকদের আনাগোনার নিরিখে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা বলে পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছিল।  সেই লোকসান মিটিয়ে ওঠার আগেই এপ্রিল মাস থেকে আবারও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কারনে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাজ্যের তরফে বেশ কিছু বিধিনিষেধ দিয়ে রাজ্যে আংশিক লকডাউনের কথা ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। তাই এবার করোনার সংক্রমণ এড়াতে একইভাবে লকডাউনের পথেই হাঁটলো শিলিগুড়ি বেঙ্গল সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: ভারতে কয়েক সপ্তাহের লকডাউনে ভাঙবে সংক্রমণের চেন, দাবি মার্কিন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের

বেঙ্গল সাফারির ডিরেক্টর বাদল দেবনাথ বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের জন্য পার্ক বন্ধ রাখা হচ্ছে। প্রতিদিন এখানে প্রচুর সংখ্যক পর্যটক আসেন। তাঁদের মধ্যে কেউ করোনা আক্রান্ত থাকলে, সেখান থেকেই কর্মীদের সংক্রমিত হওয়ার একটা আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। যখন ফের খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.