ঢাকা: করোনা সংক্রমণের চিন্তাজনক পরিস্থিতির মাঝে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনে হামলা ছক বানচাল করা হয়েছে। নিষিদ্ধ গোষ্ঠী আনসার আল ইসলাম এই পরিকল্পনা করেছিল বলে জানাচ্ছে জঙ্গি দমন শাখা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

জানানো হয়েছে, জাতীয় সংসদ ভবনে তলোয়ার নিয়ে হামলার পরিকল্পনা এবং তাতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। একজনের নাম আবু সাকিব। সে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য। অপর ধৃতেরা নাম আলী হাসান ওসামা সে একজন উগ্রধর্মীয় বক্তা।

ঢাকায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (ইভেস্টিগেশন) উপ কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যার পর সংসদ ভবনের সামনে থেকে তলোয়ার এবং কালো পতাকা সহ জঙ্গি সাকিবকে গ্রেফতার করা হয়। সে আলী হাসান ওসামার কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সংসদ ভবনে হামলার জন্য এসেছিল। সাকিবকে জেরা করে ওসামার সন্ধান মেলে।

আনসার আল ইসলাম জঙ্গি সংগঠনটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা ঘনিষ্ঠ। আল কায়েদার বাংলাদেশের শাখা সংগঠন হিসেবে পরিচালিত হয়। ২০১৭ সালে এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার। সেনাবাহিনি থেকে বরখাস্ত মেজর জিয়াউল হক জিয়ার নেতৃত্বে আনসার আল ইসলাম পরিচালিত হয়। জঙ্গি নেতা জিয়া এখনও অধরা।

আনসার আল ইসলাম সংগঠনের পুরনো নাম আনসারুল্লাহ বাংলা টিএম(এবিটি)। এই নাম নিয়ে সংগঠনটির জঙ্গিরা বাংলাদেশে বেশ কয়েকজন মুক্তমনা যুক্তিবাদীকে খুনে জড়িত। শুধু বাংলাদেশ নয়, পরে পশ্চিমবঙ্গেও এই সংগঠনটি নেটওয়ার্ক ছড়ায়। সেখান পুলিশ ও গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়ে এবিটি জঙ্গি ও লিংকম্যানরা। তারা গোপনে পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে অস্ত্র পাচার করছিল। বাংলাদেশে আনসার আল ইসলাম ও পশ্চিমবঙ্গে এবিটি একই গোষ্ঠী। তাদেরও লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গের যুক্তিবাদীরা।

এদিকে সংসদ ভবনে হামলার ছক বানচালের খবরে ঢাকা পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ সতর্কতার সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ তৈরি করেছে। সন্দেহভাজনদের উপর কড়া নজরদারি চলছে। ধৃত দুই জঙ্গিকে অনবরত জেরা করে সূত্র খুঁজছেন গোয়েন্দারা।

ঢাকা মহানগর পুলিশ জানাচ্ছে, আনসার আল ইসলামের মাথা মেজর জিয়ার নেটওয়ার্কের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে। কেন তলোয়ার নিশ্রে সংসদ হামলার ছক? এর পিছনের কারণ কি? সেটা জানার চেষ্টা চলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.