কলকাতা: লকেট চট্টোপাধ্যায় রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন তৃণমূলের হাত ধরে। ২০১৬ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন লকেট। ময়ূরেশ্বর আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। জিততে পারেননি লকেট৷ এরপর ২০১৭ সালে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে সরিয়ে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মহিলা শাখার সভানেত্রী করে দল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে হুগলি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন লকেট। পদ্ম প্রতীকে জিতে হুগলির সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। একুশের নির্বাচনে এ বার  চুঁচুড়া কেন্দ্র থেকে লড়ছেন লকেট। নিয়মমাফিক মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নির্বাচন কমিশনে লকেট তাঁর বিষয় সম্পত্তির বিবরণ দিয়েছেন।

হলফনামায় লকেট জানিয়েছেন, ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষে লকেটের উপার্জন ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬৫৪ টাকা। ওই একই বছর তাঁর স্বামী প্রসেনজিৎ ভট্টাচার্যের উপার্জন ছিল ১৭ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩৩১ টাকা। এখন তাঁর হাতে আছে নগদ ৩৩ হাজার ৪৫২ টাকা। তাঁর স্বামীর কাছে আছে ২৭ হাজার টাকা।

বিজেপি প্রার্থী জানিয়েছেন, বিভিন্ন ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে লকেটের নামে গচ্ছিত আছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। একটি ব্যাঙ্কে তাঁর স্বামীর নামে আছে ৫৮ হাজার ৮৩৬ টাকা। শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড এবং পিপিএফ মিলিয়ে লকেটের বিনিয়োগ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। এ ক্ষেত্রে তাঁর স্বামীর বিনিয়োগ ৭৩ লক্ষ টাকা।

কলকাতার সোনারপুরে দু’টি এবং ইএম বাইপাসে অভিদীপ্তা আবাসনে একটি, মোট তিনটি ফ্ল্যাট আছে লকেটের। তাঁর স্বামীর নামেও একটি ফ্ল্যাট আছে ইএম বাইপাসে। এছাড়া, লকেটের দু’টি গাড়ি আছে। একটি, ১৫ লক্ষ টাকার টয়োটা ফরচুনার। অন্যটি হুন্ডাই ইয়ন। তাঁর স্বামীর একটি মারুতি সুজুকি সুইফ্ট আছে। দাম ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। লকেটের ৫০০ গ্রাম সোনার গয়না আছে৷ যার বাজারদর প্রায় ২২ লক্ষ টাকা।

লকেটের নামে এই মুহূর্তে কোনও ব্যাঙ্কঋণ নেই। হলফনামায় নিজেকে অভিনেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন নেত্রী। পেশা হিসেবেও উল্লেখ করেছেন অভিনয়ের কথা। তাঁর স্বামী চাকরি করেন।

আগামী ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফায় চুঁচুড়ায় ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার সেখানে ভোটপ্রচারের শেষ দিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।