সান্টিয়াগো: কিছুদিন আগেই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ফিলিপিনস। এবার ভূমিকম্প হল অ্যান্টার্কটিকা উপকূলে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.০। ভূমিকম্পের ফলে আন্টার্কটিকা ও চিলি উপকূলে জারি হয়েছে সুনামির সতর্কতা। হিমসাগরীয় মহাদেশে চিলির এডুয়ার্ডো ফ্রেই ঘাঁটিতে বড়সড় সুনামি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য টিম তৈরি রাখা হয়েছে।

চিলির জাতীয় জরুরী অফিস (ওয়ানমি) জানিয়েছে, “ঘাঁটির পূর্ব দিকে প্রায় ২১০ কিলোমিটার (১৩০ মাইল) দশ কিলোমিটার গভীরতায় এই ভূমিকম্প হয়েছে। ৮টা ২৬ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। সমুদ্র উপকূল থেকে সবাইকে সরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অ্যান্টার্কটিকার উপকূল থেকেও সবাইকে দূরে থাকার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।” চিলির বিমান বাহিনীর ঘাঁটি হল অ্যান্টার্কটিক বেসের সবচেয়ে বড় অংশ। এর মধ্যে একটি গ্রাম, হাসপাতাল, স্কুল, ব্যাংক, ডাকঘর রয়েছে। গ্রীষ্মে এখানে প্রায় ১৫০ জন মানুষ থাকে। শীতে সংখ্যাটা একটু কমে। তবু গড় জনসংখ্যা থাকে ৮০ জন।

শনিবার রাতে সান্তিয়াগোয়ের কাছে একটি আচমকাই ৫.৯-মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে ওয়ানমি বলেছেন, কোনও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি বা প্রভাবের খবর পাওয়া যায়নি। বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পের দিক থেকে সক্রিয় একটি দেশ হল চিলি। ২০১০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি কনসেপসিয়ন শহরে ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেখানে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ৬০ বছর আগে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল চিলির ভালদিভিয়া শহরে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৯.৬।

গত বৃহস্পতিবার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ফিলিপিন্স। সমুদ্রপৃষ্ঠের ৯৫.৮ কিলোমিটার নীচে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী, দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রভিন্সের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই উৎস। এলাকার নিকটবর্তী অঞ্চলে এদিন তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। তবে হতাহতের কোনও খবর ছিল না। সুনামি ওয়ার্নিং সিস্টেম অনুযায়ী এ খবর জানা যায়।

তবে বেশ কিছু অঞ্চল বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে। এর ঠিক আগে মিন্দানাওয়ে অর্থাৎ গত বছরের ১৬ অক্টোবর ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ও ২৯ অক্টোবর ৬ দশমিক ৬ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প হয়। ওই দুই ভূমিকম্পে ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলের অনেক ভবন ও বাড়ি ভেঙে পড়েছিল। সেগুলি ঠিক করতে না করতেই ফের কম্পন অনুভূত হয়। আর তাতেই বিপদ বাড়ে বলে জানাচ্ছেন সে দেশের আধিকারিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।