নয়া দিল্লি: কঙ্কাল নিয়ে কাটাছেঁড়া করতে কে না ভয় পায়। কিন্তু সেই কঙ্কাল যদি হয় এমন এক সময়ের যা সম্পর্কে আমরা শুধুই বইতে পড়েছি, তাহলে তো আমাদেরও কৌতূহল বেড়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। এই বিশেষ কঙ্কালটির অস্তিত্ব জানলে চমকে উঠবেন। কঙ্কালটি হরপ্পা সভ্যতার। সেই সভ্যতাই ভারতের বিবর্তনের ইতিহাসে প্রথম আধুনিক সভ্যতা। তাই তা নিয়ে গবেষণা, বিশ্লেষণও কম হয়নি। এবার জানা গেলো এই কঙ্কালটি সেই বিশেষ সময়ের এবং এর বয়স ৪৫০০ বছর। ভাবতে অবাক লাগছে?

বর্তমান হরিয়ানার রাখিগড়িতে পাওয়া গিয়েছে এই কঙ্কাল। খননকার্যের জন্যে এই স্থান খুবই প্রসিদ্ধ ইতিহাসে। এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে ঐতিহাসিকদের কাছেও। এই কঙ্কালটির পেট্রাস হাড় নিয়ে চালানো হচ্ছে বিশেষ গবেষণা যা আগামীকালে এই সভ্যতা সম্পর্কে বিশেষ তথ্য এনে দেবে পৃথিবীর সামনেও। ২২ মিটার মাটি খুঁড়ে পাওয়া গিয়েছে এই কঙ্কালটি। এর ডিএনএ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে এটি কোনো এক স্থানীয় ব্যক্তির কঙ্কাল যিনি ওই সময় হরপ্পায় বাস করতেন।

আই -৪৪১১ নামক এই কঙ্কালে প্রাচীন আর্যদের কোনো ছাপ খুঁজে পাওয়া যায়নি যাদেরকে তথাকথিতভাবে বলা হয় হরপ্পা সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতা। তাই বিজ্ঞানীরা এই তথ্য খারিজ করেছেন যে হরপ্পার সৃষ্টি করেছিল আর্যরা। বরং তিনি জোর দিয়েছেন ইণ্ডিজেনাস প্রজাতির উপর। তবে তারা এই ব্যাপারটিও জোর দিয়েছেন যে মধ্য এশিয়া থেকে এক বিশাল জনগোষ্ঠী নানাদিকে ছড়িয়ে যাচ্ছিলো। সেই গোষ্ঠীর জিন দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কিছু মানুষের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে পাওয়া গিয়েছে।

আরো পোস্ট- নরমাংস খেয়ে বাঁচতো! চিনুন এই মমিকে

আবার একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য তারা দিয়েছে যে এই বিশেষ কঙ্কালটির সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া গিয়েছে দক্ষিণ ভারতের নীলগিরি পর্বতমালার চারপাশের অঞ্চলের ইরুলা নামক আদিবাসীদের। এমনকি হরপ্পার বাসিন্দাদের সঙ্গে যে আধুনিক ভারতের বাসিন্দাদের মিল রয়েছে সেটাও প্রমাণ দিয়েছে এই কঙ্কালটি। এই বিশেষ কঙ্কালটি নিয়ে আরো পরীক্ষা ও আলোচনা হলে তা ভারতের ধর্মীয় ক্ষেত্রেও একটা পরিবর্তন আনবে। তবে সর্বোপরি এই কঙ্কালটির একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে ভারতের প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে জানতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.