স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: পূর্ব ঘোষণা মতো রবি শস্য চাষের জন্য কংসাবতী জলাধার থেকে বুধবার জল ছাড়া শুরু হল৷ কংসাবতী সেচ মণ্ডলের আওতাধীন বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও হুগলী জেলার একাংশের চাষিরা এই সেচের জলের সুবিধা পাবেন৷

রাজ্য সরকারের সেচ ও জলপথ বিভাগ কংসাবতী সেচ মণ্ডলের তরফে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রথম দফায় ১০ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি কংসাবতীর মুকুটমনিপুর জলাধার জল ছাড়া হবে৷ দ্বিতীয় দফায় ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ও তৃতীয় বা শেষ দফায় ১০ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ জল সরবরাহ করা হবে৷ বোরো চাষের জন্য কোন সেচের জল কংসাবতী জলাধার থেকে পাওয়া যাবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছে৷

কংসাবতী সেচ দউতর সূত্রে খবর, বাঁকুড়ার খাতরা- ১ ও ২, ইন্দপুর, তালডাংরা, সিমলাপাল, সারেঙ্গা রাইপুর, রানিবাঁধ, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, জয়পুর ও কোতুলপুর ব্লকের ৯৫হাজার একর চাষের জমি সেচের জলের সুবিধা পাবে৷ পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা- ১,২,৩, চন্দ্রকোনা-১,২ ও শালবনী ব্লকের ৩৬ হাজার ৯০০ একর ও ঝাড়গ্রাম জেলার তিনটি ব্লক বিনপুর-১,২ ও ঝাড়গ্রামের ৫১ হাজার একর এবং হুগলি জেলার গোঘাট-১,২ ব্লকের ১৫ হাজার একর চাষের জমি তিন দফার সেচের জলের সুবিধা পাবে৷ এই জেলাগুলির কংসাবতী সেচ মণ্ডলের বাইরের জমিতে রবি শস্য চাষ না করতে অনুরোধ করা হয়েছে৷

কংসাবতী সেচ দফতরের ইঞ্জিনিয়ার সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘প্রথম দফায় ৩০ হাজার কিউসেক ও মোট তিন দফায় মোট এক লক্ষ কিউসেক জল রবিশস্য চাষের জন্য ছাড়া হবে৷’’ একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার চাষি ও সাধারণ মানুষকে কংসাবতী সেচ দফতরের কর্মীদের কাজে সহায়তা ও জল অপচয় না করার অনুরোধ করেছেন৷