গৌতম রায়ঃ  এনআরএসের ঘটনাবলীর গভীর উদ্বেগের ভেতরেই একটু হলেও স্বস্তিদায়ক খবর এই যে, বহিরাগত হামলাকারীদের দ্বারা ভয়ংকরভাবে আক্রান্ত জুনিয়র ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায় তুলনামূলকভাবে ভালো আছেন। সামাজিক গণমাধ্যমে তাঁর একটি ভিডিও প্রচারিত হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, তিনি বেডে বসে সামান্য কথাবার্তা বলছেন। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিবেশের ভেতরেও সামান্য স্বস্তিদায়ক একটি খবর।

কলকাতা মহানগরীর বুকে একটি শতাব্দীপ্রাচীন হাসপাতলে এক ৮৪ বছরের রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের উপরে বাইরের হামলাবাজদের যে নারকীয় বীভৎসতা আমরা প্রত্যক্ষ করলাম, তার প্রেক্ষিতে প্রথমেই একটা কথা বলা জরুরী এই যে, সমাজের সর্বত্র একটি পেশার মানুষ সম্পর্কে অপর পরিসরের মানুষদের নানা অভাব অভিযোগ থাকে, চিকিৎসকদের সম্পর্কে রোগীদের বা রোগীর পরিবারগুলির নানা অভিযোগ আছে। উকিল বাবুদের সম্পর্কে তাঁদের মক্কেলদের আছে। সরকারি কর্মচারীদের সম্পর্কে আমজনতার আছে। এমন কি বাড়ির পরিচারিকাদের সম্পর্কে বাড়ির বাবুদের আছে।

অনেক ক্ষেত্রে এই ধরনের ক্ষোভ-বিক্ষোভের পেছনে আর্থ-সামাজিক নানা প্রেক্ষাপট কাজ করে। তবে এনআরএস হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের উপরে বাইরের গুন্ডাদের নাটকীয় হামলার যে ঘটনা ঘটে গেল, সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে হয় এই যে, চিকিৎসক সহ নানা পেশাজীবীদের নিয়ে ক্ষোভ বিক্ষোভকে সম্মান জানিয়েই এটা মনে রাখতে হবে সেই প্রসঙ্গগুলি নিয়ে আলাপ, আলোচনা, পর্যালোচনার অনেক সময় রয়েছে।

এখন সেগুলিকে সাময়িক দূরে সরিয়ে রেখে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর একদল গুন্ডা যে নারকীয়তা চালিয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিত আলোচনা দরকার। সমস্যার সমাধান দরকার। একাংশের চিকিৎসকদের ঘিরে নানা ধরনের সামাজিক ক্ষোভ-বিক্ষোভ উদগারণের সময় কিন্তু এখন নয়। এই নিয়ে আলাপ আলোচনার ক্ষেত্র কিন্তু এই মুহূর্তে প্রলম্বিত করা উচিত নয়। তার জন্য সময় পড়ে আছে ক্ষেত্র পড়ে আছে।

যদি চিকিৎসকদের উপর বাইরের সশস্ত্র গুন্ডাদের এই আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে একাংশের চিকিৎসকদের ঘিরে কিছু মানুষের ক্ষোভ নিয়ে আমরা আলোচনায় মশগুল হয়ে পড়ি, তাহলে কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই সেই সব সমাজ বিরোধী, যারা এনআরএস হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে এক রোগী মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের উপর পাশবিক অত্যাচার চালিয়েছে, সেই ভয়াবহকতাকেই আড়াল করা হবে।

অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে, এনআরএস হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের উপরে বাইরের একদল সমাজবিরোধীদের দানবীয়তাকে একটা সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। একাংশের রাজনৈতিক মহল থেকেই এই সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

হামলাকারীদের ধর্ম বিশ্বাসকে সামনে নিয়ে এসে অত্যন্ত কৌশলে একটি বিশেষ ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষদের খেপিয়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে। হামলাকারীদের কোন জাত-ধর্ম -ভাষা-বর্ণ থাকতে পারে না। তাদের একমাত্র পরিচয় তারা হামলাকারী।

ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যারা, তারা একটি বিশেষ ধর্মের মানুষ হলেও যেমন সেই নারকীয় অপরাধের জন্য সেই বিশেষ সমাজের মানুষের গোটা অংশকে দায়ী করা যায় না, তেমনি তর্কের খাতিরে যদি আমরা ধরেই নিই এনআরএস হাসপাতালে কর্তব্যরত জুনিয়ার ডাক্তারবাবুদের উপর হামলাকারী গুন্ডাদের সংখ্যা গরিষ্ঠ অংশই একটি বিশেষ ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষ, তবুও গুন্ডামি, নারকীয়তার দায়ে সেই গোটা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদেরকেই দেগে দেওয়া যায় না।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে হামলাকারীদের একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করে, সেই সম্প্রদায়ের মানুষদেরই সার্বিকভাবে অপরাধপ্রবণ হিসেবে সমাজের বুকে প্রতিষ্ঠিত করবার যে ভয়ঙ্কর প্রবণতা হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তি পশ্চিমবঙ্গের বুকে দেখাচ্ছে, সেই প্রবণতা তারা দেখাতে পারছে এই কারণে যে, অপরাধীদের ধরার ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত রাজ্য সরকার আদৌ কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ নেননি। অপরাধীদের যদি ধর্ম রাজনৈতিক পরিচয় ইত্যাদির কোন তোয়াক্কা না করেই কেবলমাত্র ‘অপরাধী’ হিসেবে দেখে রাজ্য সরকার একদম ঝড়ের গতিতে আটক করতেন, তাহলে কিন্তু হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তি গোটা বিষয়টি নিয়ে এ ধরনের সাম্প্রদায়িক প্রচার করবার সুযোগ পেত না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের সার্বিক ব্যর্থতা, তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক অদূরদর্শিতা এবং ব্যর্থতা আজ হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তি বিজেপিকে এনআরএসের জুনিয়ার ডাক্তারবাবুদের উপর বাইরের একদল হামলাকারীর নারকীয় অত্যাচারকে একটা বীভৎস সাম্প্রদায়িক রূপ দিতে প্রত্যক্ষ ভাবে সাহায্য করল। বস্তুত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই এ রাজ্যের কোন পেশাজীবী মানুষেরই অর্থনৈতিক-সামাজিক- রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক-ধর্মীয়– কোন রকম নিরাপত্তা নেই। আজ এনআরএসে একদল বাইরের হামলাকারীর দ্বারা ডাক্তারবাবুদের উপর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসা পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষ দের নিরাপত্তা ঘিরে যে বিষয়টি উঠে আসছে, সেই বিষয়টি কিন্তু গত আট বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি -বেসরকারি প্রতিটি ক্ষেত্রেরই আনাচে-কানাচে ঘটে চলেছে।

এমনকি আমরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ভয়ে থানার ভিতরে পুলিশকে খাতার আড়ালে নিজের মাথা তথা জীবন বাঁচাতে দেখেছি। তখন কিন্তু আমরা আজকের মত প্রতিবাদে সামিল হইনি। আমরা চুপ করে থেকে ছিলাম। অনেকটা ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই বিখ্যাত কমিক, ‘দেখি না কি হয়’-এর মতো আমরা আরো কত বীভৎসতার মুখোমুখি হতে পারি তার জন্যই যেন প্রতীক্ষায় থেকে ছিলাম।

স্বাধীনতার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত আমাদের এই রাজ্যে নানা ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক আন্দোলন হয়েছে। কিন্তু কোন আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ-ভাষা নির্বিশেষে কোন পেশাজীবী মানুষেরই আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আজকের মতো এমন ভয়াবহ প্রশ্নচিহ্নের সামনে এসে দাঁড়ায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৌজন্যে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের বদান্যতায় আজ পশ্চিমবঙ্গের সর্বস্তরের পেশাজীবনে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, বাড়ির মানুষটি পেটের তাগিদে বাড়ি থেকে বের হলে যতক্ষণ না তিনি সুস্থ শরীরে বাড়িতে ফিরছেন বাড়ির মা, বোন, স্ত্রী, পুত্র-কন্যারা নিশ্চিন্ত হতে পারেন না।

বস্তুতপক্ষে পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের ঘটনাটির জেরে এই ভয়াবহ পরিস্থিতিটি আজ নগ্নভাবে প্রকাশ্যে এলেও আমাদের রাজ্যের একদম উঁচু স্তর থেকে নিচু স্তর পর্যন্ত পেশাজীবনের যে ভয়ঙ্কর সামাজিক নিরাপত্তা হীনতার পরিবেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে তৈরি হয়েছে, এমন পরিবেশ সম্ভবত ভারতবর্ষের আর অন্য কোন রাজ্যে নেই। ‘যোগী’ আদিত্যনাথের পরিচালনাধীন উত্তরপ্রদেশে নানাভাবে পেশাজীবী মানুষদের উপরে নানা ধরনের অত্যাচারের ঘটনা শোনা গেলেও এভাবে পশ্চিমবঙ্গের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তাঁর রাজ্য তৈরি হয়নি। আনন্য কোন রাজ্যে তৈরি হয়নি।

এনআরএসের ঘটনার অব্যবহিত পরেই বর্ধমান মেডিকেল কলেজে ও প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানেও বাইরের গুন্ডাদের দ্বারা জুনিয়র ডাক্তারেরা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। এইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডাক্তারবাবুরা আউটডোর বন্ধ করেছেন। সাময়িকভাবে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবেই তাঁরা আউটডোর বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কোন সন্দেহ নেই এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে গরিব মানুষই ভয়ঙ্কর রকমের অসুবিধায় পড়বেন। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল, কেন জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে কেবল এনআরএসই নয়, কলকাতা মহানগরীর বুকে অন্য সমস্ত সরকারি হাসপাতালগুলি তথা গোটা রাজ্যের হাসপাতালগুলির ডাক্তারবাবুরা আউটডোর বন্ধ রাখলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের পর্যালোচনা করে দেখা দরকার।

আজ যদি আমার সন্তান বা আপনার সন্তান কোন পেশাগত কারণে বাড়ির বাইরে যাওয়ার পর তার পেশার দোহাই দিয়ে একদল গুন্ডাদের হাতে আহত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে, আর রাজ্যের প্রশাসন শাসক দল সেই গুন্ডাদের বিরুদ্ধে কোনো রকম প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমার মনের অবস্থাটা কি হতে পারে, আপনারই বা মনের অবস্থাটা কি হতে পারে তা সবার আগে বিবেচনা করে দেখা দরকার।

ডাক্তারবাবুদের আউটডোর বন্ধ করে দেওয়ার দরুন সাধারণ মানুষের বহু অসুবিধে হচ্ছে। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করেও অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে হয় যে, এই বাস্তবতা এবং ভয়াবহতার সামগ্রিক দায় ব্যক্তি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অপরাধীদের আড়াল করবার জন্য তিনি নিজে, ভাইপো তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর আজ্ঞাবাহী পুলিশ যে ন্যক্কারজনক ভূমিকা পালন করে চলেছে, সেই ভূমিকাই একদিকে ডাক্তারবাবুদেরকে আউটডোর বন্ধ করে দেওয়ার মতন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে, অপরদিকে সাধারণ গরিব বুড়ো মানুষদের চিকিৎসা না পাওয়ার এই ভয়াবহ অবস্থার ভিতর ঠেলে দিয়েছে।

গত আট বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে এ রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল থেকে জটিলতর জটিলতম আকার ধারণ করছে। আইনের শাসনের এ রাজ্যে কোনোস্তরেই নেই– এই কথাগুলি এতদিন বামপন্থীরা বলে যেতেন। প্রচার মাধ্যমের একটা বড় অংশ মমতা বন্দোপাধ্যায় কীর্তন করবার তাগিদেই বামপন্থীদের এই অভিযোগকে সেভাবে আমল দিতেন না। প্রচার দিতেন না। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের করুণ অবস্থা এবং বিজেপির এ রাজ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে মাথা তোলা পর আইন-শৃংখলার এই ভয়াবহ রূপ, যে রূপটি এতদিন নানাভাবে ধামাচাপা দেওয়া ছিল, তা আমজনতার দৃশ্যগোচর হচ্ছে।

কিছুদিন আগে হাওড়ার আদালতের ভেতরে আইনজীবীদের উপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সুশৃংখল প্রশাসনিক গুন্ডারা অর্থাৎ পুলিশেরা হামলা চালিয়েছিল। সেই হামলার জেরে আইনজীবীদের কর্মবিরতি এখনো অব্যাহত আছে। সেই কর্মবিরতি জেরে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ আইন-আদালত জনিত ভয়ঙ্কর রকম সমস্যার ভেতরে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের সেই সমস্যার দিকে সে ভাবে সমাজের কর্তা ব্যক্তিদের দৃষ্টি পড়েনি। এটা দুর্ভাগ্যের বিষয়, ডাক্তারবাবুদের উপর গুন্ডাদের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে আজ গোটা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেশের অন্যান্য অংশের মানুষদের সামনে উঠে আসছে। এটা আবার একটা স্বস্তিদায়ক বিষয় ও বটে, কারণ, এরাজ্যের আইনশৃঙ্খলার যে ভয়াবহকতা গোটা দেশ সেভাবে জানতো না, এখন জানছে।

তবে উদ্বেগটা কিছুতেই যাচ্ছে না। তার কারণ এই যে, রাজ্যের শাসক আর কেন্দ্রের শাসক গোটা বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার জন্য কার্যত প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতেই হবে। গুন্ডার কোন জাত-ধর্ম-বর্ণ-ভাষা হয় না। তার একটাই পরিচয় সে ‘সমাজবিরোধী’। তার একটাই পরিচয় সে ‘গুন্ডা’। সে হিন্দু নয়। সে মুসলমান নয়। সে শিখ নয়। সে ক্রিশ্চান নয়।

আমাদের রাজ্যে প্রশাসন রাজ ধর্ম পালন করছে না। জনজাগরণে ভেতর দিয়েই প্রশাসনকে রাজ ধর্ম পালনে বাধ্য করতে হবে। আর এটা করতে পারেন সাধারণ গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ মানুষই।

*মতামত লেখকের ব্যক্তিগত