তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি মেনে বাঁকুড়ার তালডাংরার ভীমাড়া, কেশাতড়া-পাকসাড়া শিলাবতী নদী ঘাটে সেতু তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেন বাঁকুড়া জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস। শনিবার তিনি খাতড়া মহকুমাশাসক রাজু মিশ্র ও তালডাংরার বিডিও সৌরভ মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকা পরিদর্শণে যান। এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি মেনে সেতু তৈরীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিডিও সৌরভ মজুমদারকে নির্দেশ দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, তালডাংরার ভীমাড়া, কেশাতড়া-পাকসাড়া নদীঘাটে সেতু তৈরির দাবি দীর্ঘদিনের। ওই জায়গায় সেতু তৈরী হলে এলাকার অন্তত কুড়িটি গ্রামের মানুষ উপকৃত হবেন। মহকুমা শহর খাতড়ার সঙ্গে ওই সব গ্রামের দুরত্ব প্রায় দশ কিলোমিটার কমে যাবে। এই বিষয়ে এর আগেও মানুষের এই দাবীর কথা কলকাতা২৪×৭ এ প্রকাশিত হয়েছে।

গ্রামবাসী তারাদাস ব্যানার্জী বলেন, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আবেদন জানিয়ে আসছিলাম। জেলাশাসক নিজে গ্রামে এসে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তারা খুশি বলে জানিয়েছেন।বিডিও সৌরভ মজুমদার বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিলনা। এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

এদিন জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস এর আগে তালডাংরার হাড়মাসড়া গ্রামীণ হাসপাতাল, হাড়মাসড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশাপাশি কেশাতড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শণ করেন। ছাত্র ছাত্রী-শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি নিজে মিড ডে মিলের রান্না খেয়ে দেখেন। এদিন তিনি মিড ডে মিলের রান্নার মান নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে সতর্কও করেন তিনি।

পরে জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস কলকাতা২৪×৭ কে বলেন, ‘সারপ্রাইজ ভিজিটে’ বেরিয়ে ইন্দপুর-তালডাংরার বেশ কয়েকটি গ্রামে ঘুরলাম। এলাকার মানুষ শিলাবতী নদী ঘাটে সেতুর দাবী জানিয়েছেন। বিষয়টি দ্রুত রুপায়নের চেষ্টা করা হবে। একই সঙ্গে শিলাবতী নদীর ওই এলাকার পাড় যাতে বাঁধানো যায় সেই বিষয়েও প্রশাসন উদ্যোগ নেবে বলে তিনি জানান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ