অতি পছন্দ! কিন্তু বড্ড ক্ষতিকর! এমনই অনেক খাবার প্রায় প্রতিদিনের পাতে পড়ে৷ কিন্তু অনেকেরই অজানা যে এমন কিছু খাবার আছে যা মানব শরীরের পক্ষে প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিকর! খাবারের তালিকা থেকে এগুলিকে বাদ দিতে না পারলে বাড়তে পারে চরম বিপদ! এই প্রতিবেদনে জেনে নিন সেই সব খাবারের নাম!

গো-মাংস, খাসির মাংস
মাংস অনেকেরই প্রিয়৷ গরু বা খাসির মাংস, চিকিৎসকরা যেগুলোকে ‘রেড মিট’ বলে, সেগুলো তো কারও কারও প্রতিদিনের খাবার৷ এসব মাংস প্রতিদিন তো নয়ই, সপ্তাহে চারবারের বেশি না খাওয়াই উত্তম৷ গবেষকরা বলছেন, ‘রেড মিট’ সপ্তাহে চারবারের বেশি খেলে আলৎসহাইমার ঝুঁকি বাড়ে৷

মাখন বেশি খেলেও মহাবিপদ
দিনে এক চা চামচের পরিমাণ মাখন বা (বিভিন্ন প্রাণির চর্বি থেকে তৈরি) মার্জারিন খাওয়া যেতে পেরে, কিন্তু এর বেশি হলেই বিপদ৷ গবেষকরা বলছেন, মাখন বা মাখনজাতীয় খাবার না খেয়ে খাদ্য তালিকায় অলিভ অয়েল যোগ করা সবচেয়ে নিরাপদ৷ তাহলে মস্তিষ্কের রোগের আশঙ্কা খুব একটা থাকবে না৷

বেশি খেলে পনিরও ক্ষতিকর
পনির খুব সুস্বাদু৷ মস্তিষ্কের জটিল রোগ আলৎসহাইমার থেকে দূরে থাকতে চাইলে সপ্তাহে মাত্র একবার পনির খেতে হবে৷

পেস্ট্রি এবং অন্যান্য মিষ্টি খাবার
মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খেলেও স্বাস্থ্যের ক্ষতি৷ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য তো মিষ্টি এক অর্থে ‘হারাম’, অন্যদেরও উচিত মিষ্টি কম খেয়ে মস্তিষ্কটাকে নিরাপদ রাখা৷ বেশি মিষ্টি খাচ্ছেন? তাহলে আলৎসহাইমারের সঙ্গে কিন্তু আপনার দূরত্ব কমছে!

তেলে ভাজা এবং ফাস্টফুড
তেলে ভাজা খাবার এমনিতেই নানা রোগের কারণ৷ ফাস্টফুডও তাই৷ এই ধরণের খাবার ডাক্তাররা এমনিতেই কম খেতে বলেন৷ আলৎসহাইমার-এর ঝুঁকি আছে এমন লোকদের তো এসব থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতেই হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।